গত রবিবার অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল থেকে একের পর এক যেন দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে টলিউডে। রাহুলের মৃত্যুর পর, পরিচালক নিখোঁজ। গতকালই শুনতে পাওয়া গিয়েছিল অগ্নিদেবের অসুস্থতার কথা। এরপরই রবিবার বিকেলে শুনতে পাওয়া যায় টেলি অভিনেত্রী অহনা দত্তর স্বামী দীপঙ্কর দে হাসপাতালে ভর্তি।
দীপঙ্করের সঙ্গে হাসপাতালের কেবিন থেকে একটি ছবি পোস্ট করেন অহনা, যেখানে দেখতে পাওয়া যায় হাসপাতালের বেডে বসে রয়েছেন দীপঙ্কর। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই উদ্বিগ্ন হন সকলে। প্রত্যেকেরই একটাই প্রশ্ন, কী হয়েছে দীপঙ্করের?
দীপঙ্করের অসুস্থতার খবর জানানোর পরেই আবার একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন অহনা। অভিনেত্রী জানান, হাসপাতালে একা ছিলেন তিনি, তাই কারও ফোন তুলতে পারেননি তিনি। কারও প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি, তাই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তিনি জানান দীপঙ্কর কেন হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
অহনা বলেন, ‘গতকাল দুপুর বারোটা নাগাদ আমি শ্যুটিং ফ্লোরে ছিলাম। ওখানেই আমার কাছে দীপঙ্করের ফোন আসে, ও আমাকে বলে আমার প্রচন্ড বুকে যন্ত্রণা করছে। নিঃশ্বাস নিতে পারছি না। হঠাৎ করে ও অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমি কিছুই বুঝতে পারি না।’
অহনা বলেন, ‘ও আমার শ্বশুর মশাইকে নিয়ে লোকাল হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়। ওখানেই ওকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। আমি সঙ্গে সঙ্গে শ্যুটিং ফ্লোর থেকে বেরিয়ে যাই। আমাকে সবাই সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দেন। হাসপাতালে গিয়ে দেখি ওর খুব কষ্ট হচ্ছে। তখন ওর একদমই খারাপ অবস্থা।’

এরপর অহনা বলেন, ‘হাসপাতালে ওর সমস্ত টেস্ট হয়। এখন ও অনেকটা সুস্থ। ওকে আমরা বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি।’ এরপরেই দীপঙ্করের দিকে ক্যামেরা ঘোরান অহনা। দীপঙ্কর বলেন, ‘হঠাৎ করেই আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। বাড়িতে অহনাও ছিল না, ফলে আরও বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ি আমি। তবে সকলের আশীর্বাদে এখন অনেক ভালো আছি।’অসুস্থতার কারণ জানিয়ে দীপঙ্কর বলেন, ‘যে টেস্ট করা হয়েছে তাতে মোটামুটি আমার হার্টের কোনও সমস্যা নেই। তবে সুগার হঠাৎ করে নেমে যাওয়ায় এমন শরীর খারাপ হয়েছিল আমার। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো এখন সবকিছু করব তবে আপাতত আমি অনেকটাই ভালো আছি।’