১৫ জনকে হত্যার পর বন্দুক আইন কঠোর করছে অস্ট্রেলিয়া

Spread the love

অস্ট্রেলিয়া সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বন্দুক আইন কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কারণ প্রায় ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে সিডনিতে। যেখানে পুলিশ সিডনির বিখ্যাত বন্ডাই বিচে একটি ইহুদি উদযাপনে ১৫ জনকে হত্যা করার জন্য পিতা-পুত্রকে অভিযুক্ত করেছে।

এই ঘটনাটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছে যে, অস্ট্রেলিয়ার বন্দুক আইন, যা বিশ্বের সবচেয়ে কঠিনগুলোর মধ্যে, সংশোধনের প্রয়োজন আছে কিনা। পুলিশ বলেছে, বয়স্ক সন্দেহভাজন ব্যক্তিটির ছয়টি নিবন্ধিত অস্ত্রসহ ২০১৫ সাল থেকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ বলেছেন, তার মন্ত্রিসভা বন্দুক আইনকে শক্তিশালী করতে এবং বন্দুকের লাইসেন্স অনুমোদিত অস্ত্রের সংখ্যা এবং পরবর্তীতে কতদিন তা বৈধ থাকবে সেটি নির্ধারণ করার জন্য একটি জাতীয় আগ্নেয়াস্ত্র রেজিস্টারে কাজ করতে সম্মত হয়েছে।

এর আগে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার বন্ডাই বিচে ইহুদি উদযাপনে গুলি চালায় বাবা-ছেলে। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। ৫০ বছর বয়সী বাবাও ঘটনাস্থলেই নিহত হন। অন্যদিকে  তার ২৪ বছর বয়সী ছেলে হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় আছেন। এসব তথ্য পুলিশ একটি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে।
 

এছাড়া হামলার পর ৪০ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তাদের মধ্যে দুজন পুলিশ কর্মকর্তা গুরুতর কিন্তু স্থিতিশীল রয়েছেন, নিহতদের বয়স ১০ থেকে ৮৭ বছর।


এদিকে, পুলিশ তাদের আগ্নেয়াস্ত্রের কোন বিশদ বিবরণ দেয়নি, তবে ঘটনাস্থল থেকে ভিডিওতে দেখা গেছে যে, তাদের অস্ত্র গুলো একটি বোল্ট-অ্যাকশন রাইফেল এবং একটি শটগান বলে মনে হচ্ছে।

এছাড়া বন্দুকধারীদের গাড়িতে ইসলামিক স্টেটের দুটি পতাকা পাওয়া গেছে বলে এবিসি নিউজ জানিয়েছে। তবে, কোনো উৎসের বরাত দেয়নি।আলবেনিজ বলেছেন, তারা এমন ব্যবস্থা নেয়ার কথা বিবেচনা করছেন, যাতে উন্মুক্ত লাইসেন্সের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং একক ব্যক্তির হাতে থাকা অস্ত্রের সীমা নির্ধারণ করা যায়। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *