৩৭ দিনের ‘রেকর্ড’ ভাঙার পরে ‘গরম’ বাড়ল কলকাতায়! চাকা ঘুরবে আর?

Spread the love

টানা ৩৭ দিন পরে কলকাতার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যে স্বাভাবিকের থেকে বেশি ছিল বুধবার, বৃহস্পতিবারও সেই ধারা বজায় থাকল। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবারের থেকে ‘গরম’ বেড়ে বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঠেকেছে ১৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৬ ডিগ্রি বেশি (বুধবারের থেকে পারদ চড়েছে ০.৩ ডিগ্রি)। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হল ২৬.৮ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মোটামুটি ২৬ ডিগ্রির আশপাশেই থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রির আশপাশে।

জোরালো সিস্টেম ছাড়া শীতের আশা শেষ, বাড়বে তাপমাত্রা

আর সেই পরিস্থিতি দেখে আবহবিদরা বলতে শুরু করেছেন যে ২০২৫-২৬ মরশুমে একাধিক রেকর্ড গড়ার পরে শীতের ‘শেষের’ শুরু হল। এখন থেকে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা ধীরে-ধীরে বৃৃদ্ধি পাবে। মোটামুটি প্রতিবারই এই সময় থেকে পারদ চড়তে থাকে। কোনও জোরালো ‘সিস্টেম’ তৈরি না হলে শীতের অনুভূতি ক্রমশ কমতে থাকবে। রাত ও দিনের তাপমাত্রার গ্রাফ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হবে। আর ধীরে-ধীরে সেই বিচ্ছিরি এবং ভ্যাপসা গরমের দিন চলে আসবে বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা।

কলকাতার শীতকালের রেকর্ড ও তাপমাত্রার গ্রাফ

১) ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস: ১৩ বছরে শীতলতম জানুয়ারি।

২) ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস: এক দশকে জানুয়ারিতে সবথেকে কম সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

৩) এবার শীতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা: ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৬ জানুয়ারি)।

৪) এবার শীতে সবথেকে কম সর্বোচ্চ তাপমাত্রা: ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৬ জানুয়ারি)।

৫) জানুয়ারিতে সবথেকে বেশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা: ১৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২২ জানুয়ারি)।

৬) জানুয়ারিতে সবথেকে বেশি সর্বোচ্চ তাপমাত্রা: ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২১ জানুয়ারি)।

৭) জানুয়ারিতে স্বাভাবিকের নীচে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা: ১৮ দিন।

৮) জানুয়ারিতে স্বাভাবিকের নীচে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা: ১৯ দিন।

আগামী এক সপ্তাহ কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত কলকাতার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আগামী সাতদিন মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রার (রাতের তাপমাত্রা) তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। শুক্রবার সকালের দিকে কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *