৪ বছরেই রূপকথায় সংসার শেষ! বরের পরকীয়াই দায়ী?

Spread the love

সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অপরকে আনফলো করা থেকে শুরু করে একসঙ্গে ছবি না দেওয়া— জল্পনার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। বৃহস্পতিবার সেই মেঘই কালবৈশাখী হয়ে আছড়ে পড়ল মৌনী রায়ের ভক্তদের ওপর। বিচ্ছেদের গুঞ্জনে সিলমোহর দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি জারি করলেন মৌনী এবং সুরজ নাম্বিয়ার। দীর্ঘ চিন্তাভাবনার পর তাঁরা জানিয়েছেন, পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখেই তাঁরা আলাদা পথে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিস্ফোরক যৌথ বিবৃতি:

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ওই বিবৃতিতে মৌনী ও সুরজ লেখেন, “দুর্ভাগ্যবশত আমাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যম যে ধরনের কুরুচিকর ও কল্পনাপ্রসূত খবর পরিবেশন করছে, তা অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই কঠিন সময়ে আমরা ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিজেদের মধ্যেই মিটিয়ে নিতে চাই।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবরের তীব্র নিন্দা করে তাঁরা আরও জানান, তাঁদের ব্যক্তিগত অগ্রাধিকার বদলে যাওয়ার কারণেই এই পথ আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত।বন্ধ করা হলো কমেন্ট বক্স:

বিচ্ছেদের ঘোষণা করার মুহূর্তেই নিজেদের পোস্টের কমেন্ট সেকশন বন্ধ করে দিয়েছেন এই জুটি। সম্ভবত এই কঠিন সময়ে কোনও ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য বা অকারণ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে চাইছেন না তাঁরা। ভক্তদের কাছে একান্ত অনুরোধ জানিয়ে তাঁরা লিখেছেন, “এই কঠিন সময়ে দয়া করে আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন।”

দুবাই থেকে গোয়া— প্রেমের সফর:

২০১৮ সালে দুবাইতে প্রথম আলাপ মৌনী ও সুরজের। দীর্ঘ চার বছর চুপিচুপি প্রেম করার পর ২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি গোয়ার সমুদ্রতটে রাজকীয় ঢঙে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তাঁরা। বাঙালি এবং মালয়ালি— দুই মতেই বিয়ে করেছিলেন এই দম্পতি। কিন্তু বিয়ের দুই বছর যেতে না যেতেই ছন্দপতন। অনুরাগীদের মনে বিষাদ ঢেলে দিয়ে এখন আলাদা ঠিকানার সন্ধানে বলিউডের ‘নাগিন’ কন্যা।

কাজের ব্যস্ততায় মৌনী:

ব্যক্তিগত জীবনের এই চরম টানাপোড়েনের মাঝেই অবশ্য কাজের জগতে বিরতি নেননি মৌনী। সম্প্রতি ‘দ্য ভূতনি’ ছবিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। হাতে রয়েছে ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’-এর মতো বেশ কিছু বড় কাজ। তবে রূপকথার মতো শুরু হওয়া এই প্রেমের গল্প যে এভাবে মাঝপথে থেমে যাবে, তা মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *