দুপুরে তাঁর শান্তিনিকেতন নামের বাড়িতে অভিষেককে না পেয়ে , কালীঘাটের বাড়ি গিয়ে তৃণমূলের ডায়মন্ডহারবারের সাংসদকে নোটিস দিয়ে এসেছে সিআইডি। ঘটনা নিয়ে সুর চড়া করে প্রতিক্রিয়া দিতে শোনা যায় অভিষেককে। এর কিছুক্ষণ পরেই সোনাপুরে এক কর্মসূচিতে যান অভিষেক। সেখানে তাঁকে ঘিরে ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন স্থানীয়রা। এরপরই অভিষেকের উদ্দেশে ধেয়ে আসে ডিম। স্থানীয়রা দেখাতে থাকেন বিক্ষোভ।
একটা সময় দেখা যায় জনবিক্ষোভে বিধ্বস্ত অবস্থায় পুলিশ কোনমতে অভিষেককে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তাঁর নিরাপত্তায় তাঁকে মাথায় ক্রিকেট হেলমেট পরাতেও দেখা যায়। এদিকে, অভিষেকের শার্ট ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ।
প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসায় তৃণমূলের আক্রান্তদের বাড়িতে আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিজেই এদিন আক্রমণের মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইকে করে সোনারপুরে যাচ্ছিলেন তিনি। নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ঢোকার মুখে তাঁর গায়ে হাত তোলেন বিক্ষোভকারীরা। এমনই অভিযোগ রয়েছে। সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে ঢোকার সময়ই অভিষেককে কেন্দ্র করে ডিম ছোড়া হয়। তাঁর শার্টের বোতাম ছিঁড়ে দেওয়া হয়, বলে অভিযোগ। ওই অবস্থায় হেঁটে এগোতে থাকেন তৃণমূল নেতা। বেশ কিছু রিপোর্ট বলছে, সোনারপুরে যাওয়ার আগেই কোথাও কোথাও মহিলাদের ডিম হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। অনেকেই সেখানে গোব্যাক স্লোগানও দিচ্ছিলেন বলে জানা যায়। তার মধ্যে চারচাকা গাড়ি না নিয়ে গিয়ে বাইকে করে এগোতে থাকেন অভিষেক। তখনই এই ঘটনা ঘটে যায়।

ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি শনিবার যাওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন অভিষেক। সেই মতো তিনি বেলেঘাটা যান। সেখানে গিয়ে তিনি আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর মাঝের সময়ে দুপুরে বাড়ি আসেন। তখন সিআইডির তরফে আসা নোটিস হাতে নেন। এরপর তিনি সোনারপুরের উদ্দেশে যান। আর সোনারপুর যেতেই ওই ঘটনা ঘটে যায়।