Arijit-Anupam। ‘অরিজিৎ একটু ফোন-টোন ধরলে ভালো হয়’

Spread the love

সঙ্গীত জগতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র—অনুপম রায় এবং অরিজিৎ সিং। তাঁদের মেলবন্ধনে তৈরি গান মানেই শ্রুতিমধুর সুরের জাদু। কিন্তু তাঁদের কাজের সমীকরণ ও অরিজিতের কাজের পদ্ধতি নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এক মজার ও আক্ষেপের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করলেন সংগীত পরিচালক-গায়ক অনুপম রায়।

অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে প্রথম কাজের স্মৃতি ও রেকর্ডিংয়ের ধরন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এফএম গোল্ডকে অনুপম জানান, ‘অরিজিৎ যখন প্রথম এসেছিল, ও প্রথম প্লেব্যাক করেছিল আমার সঙ্গে ‘হাইওয়ে’ বলে একটি ছবি হয়েছিল সুরিন্দর ফিল্মসের, ‘খেলা শেষ’ বলে একটি গান। তখন ও মাঝেমধ্যেই কলকাতায় আসত এবং কলকাতায় রেকর্ডিং করেছি আমরা যে স্টুডিওতে। পরবর্তীতেও আরেকটি গান গেয়েছিল, সেটাও স্টুডিওতে রেকর্ড হয়েছিল। কিন্তু গত ৮ বা ১০ বছর ধরে ওকে কোনওদিন স্টুডিওতে আসতে হয়নি। কারণ ওকে গান পাঠিয়ে দেওয়া হতো, ও গান গেয়ে পাঠিয়ে দেয়।’

একই সঙ্গে অনুপম রায় ভূয়সী প্রশংসা করে জানান যে অরিজিৎ গান গেয়ে পাঠালে আলাদা করে আর কিছুই বলার থাকে না। গানটি এতটাই নিখুঁত হয় যে তা আবার নতুন করে গাওয়ানোর কোনো সুযোগই থাকে না।

কিন্তু কাজের এই প্রক্রিয়ায় এক অদ্ভুত অভাব অনুভব করেন অনুপম। অরিজিতের সঙ্গে যোগাযোগ বা সামনাসামনি আলোচনার সুযোগ না থাকা নিয়ে একটু মজার সুরেই তিনি যোগ করেন, ‘সাধারণত আমার কিছুই বলার থাকে না ও যে গানটা গেয়ে পাঠায় সেটা নিয়ে’। জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্রর গান নিয়ে কোনও কোনও অভিযোগ কিন্তু, কোন বিষয়টা আরেকটু ভালো করতে পারেন অরিজিৎ? প্রশ্ন শুনে মুচকি হেসে অনুপম বলেন, ‘অরিজিৎ যদি একটু ফোন-টোন ধরলে ভালো হয় আর কি!’

অরিজিতের গান ও গায়কি নিয়ে অনুপমের কোনো অভিযোগ না থাকলেও, অরিজিৎ যেন ফোন ধরে অন্ততঃ একটু কথা বলেন বা যোগাযোগ রাখেন—সেই মিষ্টি দাবিই সাক্ষাৎকারে সামনে নিয়ে এলেন অনুপম রায়। প্রসঙ্গত, প্লে-ব্যাকের দুনিয়া থেকে ইতিমধ্যেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন অরিজিৎ সিং। তাই ভবিষ্যতে আর কখনও একসঙ্গে কাজ করা হবে কিনা, সেই নিয়ে খানিক আশঙ্কার সুর শোনা গেল অনুপমের কণ্ঠে।

প্রসঙ্গত, ব্যক্তিগত জীবনে সবচেয়ে ভালো সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন অনুপম। গত মাসের ফুটফুটে পুত্র সন্তানের বাবা হয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী। আপতত একরত্তিকে সামলাতেই ব্যস্ত তিনি ও স্ত্রী প্রশ্মিতা পাল। দম্পতির জীবনে এখন আনন্দের জোয়ার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *