শুধু যে পাকিস্তানের সেনার সর্বেসর্বা আসিম মুনির তা নয়, তাঁকে ইসলামাবাদের বিভিন্ন কূটনৈতিক কার্যকলাপেও দেখা গিয়েছে। সেদেশের ক্ষমতার নানান দিক তাঁর মুষ্ঠিবদ্ধ! এবার সেই আসিম মুনিরের ওপর আরও এক দায়িত্ব! পাকিস্তানে বেড়ে চলা জনসংখ্যা কার্যত প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিুফের মাথাব্যথা হয়ে উঠছে। একদিকে, বিপুল ঋণের বোঝা, অন্যদিকে, বেড়ে চলা জনসংখ্যার ইসলামাবাদের চিন্তা বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান তৈরি করেছে এক কমিটি। আর সেই কমিটিতেই রয়েছেন আসিম মুনির।
পাকিস্তান বর্তমানে জনসংখ্যার নিরিখে বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। খুব শিগগিরই তা চতুর্থস্থানে চলে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। যা খুবই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ইসলামাবাদের। ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট বলছে, এই পরিস্থিতিতে প্রথম যাকে শোহবাজ শরিফ ফোন করেছিলেন, তিনি আসিম মুনির। পাকিস্তানের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে ইসলামাবাদ যে কমিটি গড়েছে, তাতে পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল, সেনার সর্বেসর্বা আসিম মুনির থাকছেন। এই বিষয়ে পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেদেশের সেনেটে তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছে, ‘দ্য ডন।’
পাকিস্তানের এমন এক পরিস্থিতিতে এই নয়া দায়িত্ব মুনিরের হাতে গিয়েছে, যখন বালোচিস্তান তপ্ত রয়েছে পর পর হানার জেরে। একইসঙ্গে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে অশান্তি বাড়ছে। সেখানের অশান্তি দমনে ৪ হাজার সেনা, রেঞ্জারদের ৭ টি উইং মোতায়েন করছে ইসলামাবাদ। এদিকে, এর আগে, বালোচিস্তানে পর পর হামলায় বহু সংখ্যক পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। এমন এক সময় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান সিডিএফ মুনিরকে জনসংখ্যা সংক্রান্ত কমিটিতে রাখা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া সরব। পাকিস্তানি সাংবাদিক আসাদ তুর এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন,’ যদি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য আসিম মুনিরকে সরকারের দরকার পড়ে, তাহলে তার ঘরে ঢুকে যাওয়া উচিত।’ অনেকে আবার এই ঘটনা নিয়ে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছেন,’তিনি কাশ্মীর, বেলুচিস্তান, মুরিদকে ও ইসলামাবাদে সফলভাবে জনসংখ্যা হ্রাস করেছেন।’
