Australia Tour of Modi ।মোদীর অস্ট্রেলিয়া সফরে কলকাতার এই তাবড় ইনস্টিটিউট কী পেল?

Spread the love

নরেন্দ্র মোদীর অস্ট্রেলিয়া সফর ঘিরে চর্চায় এসেছে ইউরেনিয়াম আমদানি প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে একাধিক তাবড় চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। জানা যাচ্ছে, কৌশলগত সামরিক সহযোগিতা, অত্যাবশ্যকীয় খনিজ (ক্রিটিক্যাল মিনারেল) সরবরাহ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রযুক্তি বিনিময়, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ বৃদ্ধি সহ একাধিক বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। এছাড়াও মোদীর অস্ট্রেলিয়া সফর শিক্ষাক্ষেত্রেও একাধিক প্রাপ্তি যোগ করেছে। কলকাতার ‘সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট’ও এক মউ স্বাক্ষরে আবদ্ধ হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র মোদী বলেন,’ভারতীয় শিক্ষার্থীদের কাছে অস্ট্রেলিয়া অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গন্তব্য হিসেবেই রয়ে গিয়েছে। ভারতে অস্ট্রেলীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাম্পাস খোলার মধ্য দিয়ে আমাদের জ্ঞান-অংশীদারিত্বে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী মোদীর অস্ট্রেলিয়ার সফরের হাত ধরে উঠে এসেছে ভারতের ‘স্কিল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অন্তপ্রনরশিপ’ (MSDE) এবং পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া সরকারের ‘টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন’ (TAFE) ব্যবস্থার মধ্যে স্বাক্ষরিত হওয়া একটি সমঝোতা স্মারক (MoU); যার লক্ষ্য হল খনি ও খনি-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি ও পরিষেবা (METS) খাতে একটি ‘সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’ বা উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা। ভুবনেশ্বরের ন্যাশনাল স্কিল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এনএসটিআই)-এ এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হবে এবং এটি খনি কার্যক্রম, খনি নিরাপত্তা, খনিজ প্রক্রিয়াকরণ ও খনি যন্ত্রপাতির ওপর গুরুত্ব দেবে। আন্তঃদেশীয় শিক্ষার প্রসারে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে, অস্ট্রেলীয় সরকার, বেঙ্গালুরুতে ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য ফ্লিন্ডার্স ইউনিভার্সিটিকে একটি ‘লেটার অফ ইনটেন্ট’ (আগ্রহপত্র) হস্তান্তর করেছে। পাশাপাশি, গুরুগ্রামে ক্যাম্পাস স্থাপন ও পরিচালনার জন্য ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি একটি ‘লেটার অফ অ্যাপ্রুভাল’ (অনুমোদনপত্র) পেয়েছে, যার ফলে ভারতে অস্ট্রেলীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি আরও সম্প্রসারিত হল। কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (CSIR) এবং মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের (MoU) ফলে গবেষণা-সহযোগিতার ক্ষেত্রেও গতি এসেছে।মৌ স্বাক্ষরিত হয়েছে কলকাতার ‘সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট’ এবং ‘গ্রিফিথ ফিল্ম স্কুল’র মধ্যে। এই গ্রিফিথ ফিল্ম স্কুল অবস্থিত দক্ষিণ ব্রিজবনে। এই চুক্তিটি যৌথ শিক্ষামূলক কার্যক্রম, চলচ্চিত্র বিষয়ক যৌথ প্রকল্প, কর্মশালা এবং সামার স্কুলসহ স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *