শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার রবিবার এক নির্দেশিকায় জানিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত জেলায় একটি করে হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। ঠিক সেই দিনেই হাওড়া থেকে ধরা পড়লেন দুই অবৈধ বাংলাদেশি। এমনই অভিযোগ ধৃতদের বিরুদ্ধে।
কিছুদিন আগেই, হাওড়ার প্রশাসনিক সভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, কোনও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রয়োজন নেই। সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফের হাতে তুলে দিতে হবে তাঁদের। এরপর আজ রবিবার হাওড়া থেকে ধরা পড়লেন ২ বাংলাদেশি। গ্রেফতার করা হয়েছে রমজান গাজি ও আরিফা বেগম নামে দুই বাংলাদেশিকে। ধৃতরা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়েছেন, বলে খবর। তাঁদের বয়স ৩৫ থেকে ৩৭ বছরের মধ্যে। জানা গিয়েছে, হাওড়ার উনসানি এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, তাঁরা ভুয়ো নথি তৈরি করে ভারতে আসেন। ধৃতরা উনসানির মাঝেরপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন। তাঁদের বাড়ি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে, হোল্ডিং সেন্টার নিয়ে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই, আইনি প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই কেন্দ্রগুলিতে তাঁদের রাখা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।

এদিকে, সন্দেশখালির মণিপুর এলাকায় সদ্য এক ব্যক্তিকে ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এম এইচ ইসলাম নামের ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বাংলাদেশের ঢাকার বাসিন্দা। অবৈধভাবে গত ৮ বছর ধরে তিনি সন্দেশখালিতে রয়েছেন বলে অভিযোগ। রিপোর্ট বলছে, ওই ব্যক্তির সন্দেহজনক ঘোরাফেরা দেখেই এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। তারপরই তাঁকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। জানা গিয়েছে, পুলিশের হাতে তাঁকে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাজ করছে।