বারুইপুরের অশান্তির ঘটনায় রবিবার রাতে গ্রেফতার হন সিপিআইএম নেতা লাহেক আলি। তাঁর বিরুদ্ধে বারুইপুরে অশান্তির ঘটনায় ইন্ধনের অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, এই লাহেক আলি বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে ২০২৬ সালের ভোটে ছিলেন বাম মনোনীত প্রার্থী। তাঁকেই রবিবার গভীর রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সূত্র উল্লেখ করে রিপোর্ট বলছে, বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর এলাকায় বিক্ষোভের সময়ে রাস্তা অবরোধ, ভাঙচুর, পুলিশকর্মীদের উপরে হামলা এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ, গত ৫ জুলাই বিক্ষোভের দিন লাহেক আলি অশান্তির ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত এর আগে, বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায়, নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পরে রাস্তা অবরোধ, পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর, রেল লাইন অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেই অশান্তির জেরে একাধিক পুলিশকর্মী আহত হন। নাবালিকাকে হত্যার সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। যদিও পরে মুখ্যমন্ত্রী জানান সেই মৃত, আসলে নির্দোষ ছিলেন। এই অশান্তির নেপথ্যে জড়িতদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে আগেই হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জনান, এই বারুইপুরে অশান্তি পাকানোর ঘটনায় অভিযুক্তদের কোনওভাবে রেয়াত করা হবে না।বারুইপুরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,’যাঁরা ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন, তাঁরাই এই অশান্তির ঘটনা ঘটিয়েছেন।’ এদিকে, জানা যাচ্ছে, রবিবার রাতে ধৃত লাহেক আলিকে সোমবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে হাজির করানো হবে। এই নিয়ে বারুইপুরে অশান্তির ঘটনায় মোট ৩০এর বেশি জনকে গ্রেফতার করা হল। তবে লেহাক আলির গ্রেফতারি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। তাঁর অভিযোগ, এই গ্রেফতারি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য় প্রণোদিত। সুজন চক্রবর্তীর দাবি, ‘অশান্তির ঘটনার অনেক পরে লাহেক আলি সেখানে গিয়েছিলেন। তদন্ত করলেই বোঝা যাবে।’
