BJP MLA-র সঙ্গে রাতে থানায় নির্যাতিতা গৃহবধূ! গ্রেফতার অভিযুক্ত ‘TMC কর্মী’

Spread the love

ইন্দাসে এক তৃণমূল কর্মীর নির্যাতিনের শিকার হয়েছিলেন এক গৃহবধূ। তবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এই আবহে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগও জানিয়েছিলেন সেই গৃহবধূ। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক বিজেপি নেতা। আর গতরাতে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক সেই নির্যাতিতাকে সঙ্গে নিয়ে থানায় পৌঁছে যান। দায়ের করা হয় লিখিত অভিযোগ। যার পরে পুলিশ পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয় বলে দাবি। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ ধৃতকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।

কী অভিযোগ, গত ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতেই শ্লীলতাহানির শিকার হন তিনি। তাঁর ছেলে পাশে এক আত্মীয়র বাড়ি গিয়েছিল। সেই সময় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত যুবক নির্যাতিতার বাড়িতে যায়। সেই যুবক নির্যাতিতার প্রতিবেশী বলে জানা গিয়েছে। দাবি করা হয়, দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ওই বধূকে জাপটে ধরে সেই যুবক। পরে বধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এলে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায় অভিযুক্ত। এদিকে নির্যাতিতার অভিযোগ, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী হাওয়ার কারণে শাসকদল তাঁকে থানায় অভিযোগ দায়ের করার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছিল। বধূকে মুখ বন্ধ রাখার জন্য নানা ভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। নির্যাতিতার স্বামীকে খুন করার হুমকি দেয় ওই যুবক। তবে তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সঙ্গে তারা আরও দাবি করেছে, অভিযুক্তের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। তৃণমূলের পালটা অভিযোগ, মহিলার এক আত্মীয় বিজেপির বুথ সভাপতি। এই আবহে বিজেপি ঘটনাটি নিয়ে রাজনীতি করছে।এই আবহে গতরাতে নির্যাতিতাকে সঙ্গে নিয়ে ইন্দাস থানায় গিয়ে হাজির হন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া। লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় থানায়। অভিযোগ দায়ের হওয়র পরপরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের চেষ্টা, ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়। এদিকে নির্যাতিতাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *