দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের ইটখোলা অঞ্চলে রাজনৈতিক হিংসার শিকার বিজেপি সমর্থকরা। জানা গিয়েছে, ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। এদিকে বিজেপি কর্মীদের মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় এক মহিলাসহ দুই বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। আহতদের নাম দীপিকা নস্কর ও কবির কৃষ্ণ হালদার। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু কবির কৃষ্ণ হালদারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ইন্দ্রজিৎ সর্দার ও তাঁর অনুগামীদের দিকে। যদিও এই হামলার দায় স্বীকার করেনি তৃণমূল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইটখোলার মধুখালী এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল শনিবার রাতে। দুষ্কৃতীরা লাঠি-রড এবং বন্দুক নিয়ে চড়াও হয়েছিল। এলাকায় গুলি ছোড়া হয়। বন্দুকের বাঁট দিয়ে বিজেপি কর্মীদের মারা হয় বলে অভিযোগ। এদিকে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে আসবাবপত্র ভেঙে দেওয়া হয়। এই আবহে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এই হামলায় আহত দীপিকা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘রাতে আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ দেখি ওরা এসে আমার মুরগির ঘর থেকে মুরগি টেনে বের করে নিয়ে যাচ্ছে। আমি বাধা দিয়ে বলি, তুমি একজন নেতা হয়ে মানুষের ঘরের মুরগি চুরি করছ? এরপরেই ওঁরা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে ৪ তারিখের পর তোকেও টেনে নিয়ে যাব। তুই ঘর ছেড়ে দিবি? আমি বলি- জায়গাটা কি তোমার যে ঘর ছেড়ে দেব? অমনি দুইজন মিলে আমাকে বিছানায় শুইয়ে ফেলে মারধর শুরু করে। এলাকায় অন্তত ৬ রাউন্ড গুলি চলেছে।’
