CJP Protest Viral Vidoes Investigation: ‘ককরোচ’-দের ভিডিয়ো কি এমনি-এমনিই ভাইরাল হয়নি সোশ্যাল মিডিয়ায় নেপথ্যে কাজ করেছে কোনও নেটওয়ার্ক? দিল্লি পুলিশ সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদনে জানানো হল। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের র্যাডারে তিনটি বড় প্রাইভেট ডিজিটাল মার্কেটিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানি আছে বলে সূত্রের খবর। পুলিশ ওই কোম্পানিগুলির গতিবিধি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রয়োজনে দেখা হবে নথিপত্রও। জানার চেষ্টা করা হচ্ছে যে সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগোরিদমকে ‘ম্যানিপুলেট’ করে ঘুরপথে ভিডিয়ো ভাইরাল করা হয়েছে কিনা। তাছাড়াও খতিয়ে দেখা হচ্ছে ১০০-র বেশি ইউটিউবারের ভূমিকা।
ভাইরাল ভিডিয়োর নেপথ্যে কোনও নেটওয়ার্ক?
এমনিতে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে দিল্লির যন্তর মন্তরে যে আন্দোলন চলেছে, সেইসময় সোশ্যাল মিডিয়ায় অসংখ্য ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছিল। এসেছিল লাখ-লাখ ভিউ। কোনও কোনও ভিডিয়োর দর্শক সংখ্যা তো কোটির গণ্ডিও ছুঁয়ে ফেলেছিল। সেই রেশ ধরেই পুলিশ বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে যে ভাইরাল ভিডিয়োর নেপথ্যে কোনও নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক কাজ করেছে কিনা। যে নেটওয়ার্ক সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগোরিদমকে অপব্যবহার করেছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইনফ্লুয়েন্সার এবং ইউটিউবারকে ‘সক্রিয়’ করা হয়েছিল?
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারীদের নজরে এসেছে একটি প্রথমসারির ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এজেন্সিও। তাঁদের সন্দেহ, যন্তর মন্তরের বিক্ষোভের সময় ভিড় বাড়াতে এবং আন্দোলনকে ‘উগ্র’ করে তুলতে ওই এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত একাধিক ছোটো-বড় ইনফ্লুয়েন্সার এবং ইউটিউবারকে ‘সক্রিয়’ করা হয়ে থাকতে পারে। পুরোটার পিছনে কোনও আর্থিক লেনদেন আছে কিনা, আর্থিক হয়ে থাকলে সেই টাকা কোথা থেকে এল, তাও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যেতে পারে নোটিশ
সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টির তদন্তের জন্য ওই তিনটি সংস্থার শীর্ষ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শীঘ্রই নোটিশ পাঠানো হতে পারে। নোটিশ যেতে পারে কোনও কোনও ইউটিউবারের কাছেও। প্রায় ১০০ জন ইউটিউবার প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের র্যাডারে আছেন বলে সূত্রের খবর।