অযোধ্যার রাম মন্দির নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আবারও তীব্র হয়েছে। সমাজবাদী পার্টির জাতীয় সভাপতি অখিলেশ যাদব মন্দিরে ভক্তদের দান করা তহবিল নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে রাম মন্দিরে দেওয়া অর্ঘ্য থেকে কোটি কোটি টাকা গায়েব হয়ে গেছে এবং এই বিষয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ পোস্ট করে অখিলেশ যাদব বলেছেন যে, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে রাম মন্দিরে দেওয়া অনুদানের পরিমাণে অনিয়ম প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন, এটি কেবল একটি আর্থিক বিষয় নয়, এটি লক্ষ লক্ষ ভক্তের বিশ্বাসের বিষয়। তাই, সত্য অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে।
समस्त विश्व में भगवान राम के उपासकों के लिए ये एक बेहद संवेदनशील समाचार है कि ‘राम मंदिर’ के चढ़ावे की करोड़ों की रकम गायब पायी गई है।
ये मंदिर ट्रस्ट के लिए अत्यंत शर्मनाक स्थिति है। कोई भी सफ़ाई देने के लिए सामने नहीं आना चाहता है।
न्यायालय से स्वतः संज्ञान लेने की माँग है…
— Akhilesh Yadav (@yadavakhilesh) June 7, 2026
অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেছেন
সমাজবাদী পার্টির প্রধান অভিযোগ করেছেন যে, ভক্তদের দেওয়া অনুদানের সঠিক হিসাব মন্দিরে না থাকলে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও লজ্জাজনক। তিনি বলেন, মন্দির ট্রাস্টের উচিত এই বিষয়ে একটি স্পষ্ট জবাব দেওয়া, যাতে ভক্তরা সব ধরনের সন্দেহ থেকে মুক্ত থাকেন। অখিলেশ যাদব এও দাবি করেন যে, বিচার বিভাগ যেন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টি আমলে নেয়। তিনি বলেন, যখন বিষয়টি দেশ ও বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ রাম ভক্তের অনুভূতির সঙ্গে জড়িত, তখন স্বচ্ছতাই সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সরকারের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন যে জনগণের সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া উচিত। আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রায় ২২০.৮১ কোটি টাকা আয় করেছে। এর মধ্যে রয়েছে দানবাক্স, কাউন্টার, অনলাইন চ্যানেল এবং ব্যাংক আমানতের সুদ থেকে প্রাপ্ত আয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধুমাত্র দানবাক্স থেকেই কোটি কোটি টাকা পাওয়া গেছে।
বিজেপিকে নিয়ে প্রশ্ন
সমাজবাদী পার্টির মিডিয়া সেল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছে যে, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের অনুদান থেকে কোটি কোটি টাকার আত্মসাৎ, উধাও এবং চুরি শুধু লজ্জাজনকই নয়, এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। পোস্টটিতে আরও বলা হয়েছে যে, ট্রাস্টের সিনিয়র সদস্যদের শুধু এই বিষয়ে স্পষ্টীকরণ দিলেই হবে না, বরং রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ভক্তদের দেওয়া অনুদানের অর্থের হিসাব এবং সেই টাকা কোথায় খরচ হয়েছে, তার একটি বিবরণও জনগণের সামনে পেশ করতে হবে। মন্দিরের তহবিলের আত্মসাৎ, জালিয়াতি এবং চুরি একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। পোস্টটিতে লেখা ছিল, “বিজেপি, দয়া করে ঈশ্বরকে রেহাই দিন।” এদিকে, রাম মন্দিরের অনুদানকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্ক প্রসঙ্গে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের একজন ট্রাস্টি মহন্ত দিনেন্দ্র দাস বলেছেন যে, তিনি ভগবান রামের ঐতিহ্যে বিশ্বাস করেন। তিনি আরও বলেন যে, যদি কেউ অনুদান চুরি করে থাকে, তবে স্বয়ং ভগবান রাম তাদের শাস্তি দেবেন।