Delhi Terror Attack Shaheen Saeed। বিদেশে থাকার লোভেই জঙ্গি নেটওয়ার্কে যোগ ‘ডাক্তার’ শাহিনের

Spread the love

‘জঙ্গি ডাক্তার’ শাহিন সইদ বিদেশে বসবাস করতে চেয়েছিল। লাইভ হিন্দুস্তানের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিদেশে বসবাসের লক্ষ্যেই জঙ্গি নেটওয়ার্কে যোগ দিয়েছিল। দিল্লিতে বোমা বিস্ফোরণের আগে ভিসা নিয়ে দেশ ছেড়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সূত্রের খবর, প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বিদেশে বসবাসের স্বপ্ন দেখছিল ‘জঙ্গি ডাক্তার’। বিদেশের বিলাসিতার প্রতি বেশি আকৃষ্ট ছিল। এ কারণে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ এবং অপর ‘জঙ্গি ডাক্তার’ মুজাম্মিলের সঙ্গে ‘নিকাহের’ (জেরায় মুজাম্মিল তেমনই দাবি করেছে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে) পিছনে এটিও মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। এই আকাঙ্ক্ষাই তাকে জঙ্গি নেটওয়ার্কের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছিল। দিল্লি বিস্ফোরণের সাত দিন আগে তিনি তার পাসপোর্ট যাচাইয়ের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু পুলিশ প্রাসঙ্গিক রিপোর্ট জমা দিতে পারেনি। এ কারণে দেশের বাইরে যেতে পারেননি।

লাইভ হিন্দুস্তানের রিপোর্ট অনুযায়ী, মুজম্মিল আহমেদ ও তার নেটওয়ার্কের বাকি চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ কারণে সে ভয় পেয়ে গিয়েছিল যে পুলিশ তাকেও গ্রেফতার করবে। একইসঙ্গে ‘জঙ্গি ডাক্তার’ ওমরও আত্মগোপন করছিল। এ কারণে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশ ছেড়ে পালানোর প্রস্তুতিও নিচ্ছিল। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার এনআইএ (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন টিম) যখন তাকে আল-ফালহা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসে, তখন তার লকার পরীক্ষা করা হয়। এ সময় আরব দেশগুলোর মুদ্রাও পাওয়া যায়। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে স্বর্ণালঙ্কারও।

ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি মহল মনে করছে যে আরব দেশগুলিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল ‘জঙ্গি ডাক্তার’ শাহিন। ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি দিল্লি বোমা বিস্ফোরণ মামলায় ৪৮ জন সন্দেহভাজনকে জেরা করেছে। দিল্লিতে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত হন ওমর। একইসঙ্গে অনেকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তারইমধ্যে দিল্লির লালকেল্লার কাছে বোমা বিস্ফোরণের তদন্ত উত্তরাখণ্ডে পৌঁছেছে। দিল্লি ও উত্তরাখণ্ড পুলিশের সহায়তায় শনিবার বিলালি মসজিদের ইমাম ও তাঁর এক সহযোগীকে এই মামলায় হলদোয়ানির বানভুলপুরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। আধিকারিকরা শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন যে এনআইএয়ের দল তাদের দুজনকেই দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকরা জানিয়েছেন, লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত ‘জঙ্গি’ ডাক্তার উমর নবির সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বরের কল ডিটেইল থেকে দিল্লি পুলিশ একটি সূত্র পেয়েছিল, যার ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *