EC Fact Check on TMC Strongroom Claim। স্ট্রংরুম কাণ্ডে আগে থেকেই সবটা জানা ছিল তৃণমূলের?

Spread the love

ইভিএম বদলের অভিযোগ তুলে বৃষ্টিস্নাত কলকাতায় গতরাতে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধায় তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে স্ট্রংরুমের পাহারায় বসেন। প্রায় ৪ ঘণ্টা ‘পাহারা’ দিয়ে তিনি বেরিয়ে এসে ফের নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগেন। এই সবের মাঝেই তৃণমূলের যাবতীয় অভিযোগ খণ্ডন করল নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, গতকাল একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তৃণমূল অভিযোগ করে, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মিলে বিজেপি স্ট্রংরুমের মধ্যে ব্যালট বাক্স খুলছে। সেখানে ভোট জালিয়াতি করা হচ্ছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিস।

তৃণমূলের দাবিকে উড়িয়ে নির্বাচন বিবৃতি প্রকাশ করে বলে, ‘ভুয়ো প্রচার এবং সত্যিটা: ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সাতটা বিধানসভার স্ট্রংরুম রয়েছে। সমস্ত প্রার্থী বা তাঁদের এজেন্ট, সাধারণ পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করে স্ট্রংরুম সিল করা হয়েছে। যে ৭টি স্ট্রংরুমে ইভিএম রয়েছে, সেগুলি এখনও সিল রয়েছে এবং সিএপিএফ জওয়ানরা তার নিরাপত্তায় নিযুক্ত আছেন। সেই চত্বরেই আরও একটি স্ট্রংরুম আছে যেখানে ডিইও পোস্টাল ব্যালট রেখেছেন। ডিইও সকল পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারদের জানয় যে ৩০ এপ্রিল বিকেল চারটে থেকে সেই পোস্টাল ব্যালটগুলিকে কেন্দ্র অনুযায়ী আলাদা করা হবে। রিটার্নিং অফিসারও সেই ইমেল করেছিল সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে। সেই পোস্টাল ব্যালট পৃথক করার কাজ চলছিল স্ট্রংরুমের বারান্দায়। স্ট্রংরুমের যেখানে ইভিএম রাখা আছে, সেগুলি সিল করাই আছে। এই আবহে প্রার্থীদের অনুরোধ করা হচ্ছে, ভুয়ো খবর ছড়ানোর আগে ভালো করে নিয়ম জেনে নিন।’

এর আগে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়, ‘নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক খবর আসছে। অভিযোগ উঠছে, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতেই ব্যালট বক্স খোলার বেআইনি চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের একাংশ।’ এদিকে পাহারা দিয়ে বেরিয়ে মমতা আবার পালটা অভিযোগ করেছিলেন, টিভিতে নেতাজি ইন্ডোরের ‘ঘটনা’ দেখেন। তা দেখেই শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে আসেন। তবে নির্বাচন কমিশন কারও নাম না করে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ‘সব দলকেই’ আগে থেকে জানানো হয়েছিল ব্যালট পৃথক করার বিষয়টি। অর্থাৎ, তৃণমূলকেও তা জানানো হয়েছিল। তাও মমতা বলেন, ‘ইভিএমে কারচুপি করতে পারত। তাই তো এসেছি। আর সিল কী করা আছে? ব্যান্ডেজ লাগানো আছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *