ED summons IPS officer। সোনা পাপ্পুর খোঁজে ইডির স্ক্যানারে IPS অফিসার

Spread the love

ED summons IPS officer: কসবার তথাকথিত ‘সোনা পাপ্পু’ ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার এখনও অধরা। শাসকদলের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার ছবি সামনে এসেছে। মাস আড়াই আগে ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে গুলি, বোমাবাজির ঘটনায় নাম জড়ানোর পর থেকে বেপাত্তা তিনি। একাধিকবার লাইভে ধরা দিলেও তদন্তকারী সংস্থার জালে ধরা পড়েননি তিনি। সোনা পাপ্পুর বাড়িতে সম্প্রতি তল্লাশি অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।এবার এই মামলায় নতুন মোড়, আইপিএস গৌরব লালকে তলব করেছে ইডি। সোনা পাপ্পু ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জয় কামদারকেও সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে।

আইপিএস গৌরব লাল কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ছিলেন। এখন তিনি হাওড়া সিটি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার সদর পদে রয়েছেন। সোমবার সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে তাঁকে। ইডির দাবি, আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরে এই আইপিএস-কে তলব করা হয়েছে। শুধু আইপিএস গৌরব লাল নন, আজ সিজিও কমপ্লেক্সে ডাকা হয়েছে ব্যবসায়ী জয় কামদারকেও। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১ এপ্রিল শহরের মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই সময় সোনা পাপ্পু-এর বাড়ি থেকে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ৬৭ লক্ষ টাকার সোনা ও রুপোর গয়নাও বাজেয়াপ্ত করা হয়। একটি ফরচুনার গাড়ি ও একটি পিস্তলও উদ্ধার হয় অভিযানে। ইডি সূত্রে খবর, সেই অস্ত্র পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানে জয় কামদার নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকেও প্রায় দেড় কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছিল বলে জানা যায়। সেই সূত্র ধরেই এবার তাঁকে সমন পাঠিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

ইডির দাবি, রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের রুজু করা বেশ কয়েকটি এফআইআর-র ভিত্তিতে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে তারা। তদন্তে উঠে এসেছে, কসবা ও বালিগঞ্জ এলাকায় নির্মাণ সংক্রান্ত সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন সোনা পাপ্পু। অভিযোগ, বিভিন্ন নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তুলে তা প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছে দিতেন তিনি। কিন্তু তাঁকে সমন পাঠানো হলেও হাজিরা দেননি বলে ইডির দাবি। ফলে তাঁর খোঁজে তল্লাশি জোরদার করেছে ইডি। তবে খুঁজে পাওয়া না গেলেও বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘লাইভে’ এসে নানা দাবি করছেন সোনা পাপ্পু। এই পরিস্থিতিতে সোনা পাপ্পুর মামলায় এবার আইপিএস গৌরব লাল ও ব্যবসায়ী জয় কামদারকে তলব করল ইডি। তবে শেষ পর্যন্ত ইডি দফতর পর্যন্ত দু’জনের মধ্যে কেউ পৌঁছায় কিনা, তা নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। তদন্তকারীদের মতে, ব্যবসায়ী ও প্রশাসনিক স্তরের যোগসূত্র খতিয়ে দেখতেই এই তলব। মামলার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *