Entally Murder Update। এন্টালিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার খুনে বড় সাফল্য পুলিশের

Spread the love

কলকাতার এন্টালিতে ভোটের পরপরই খুন হয়েছিলেন তাপস নস্কর নামে এক প্রোমোটার। সেই ঘটনায় এবার বড় সাফল্য পেল পুলিশ। এই মামলায় নবদ্বীপের রানির চরা মিস্ত্রি পাড়া সংলগ্ন গঙ্গার চর থেকে দীপক দাস ওরফে নাটুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃত দীপক এই মামলায় মূল অভিযুক্ত। এর আগে এই ঘটনায় আগেই পিঙ্কু দাস নামে একজনকে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাকে জেরা করেই দীপক দাসের খোঁজ পান তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, ধৃতরা একটি ডাকাত দলের সদস্য। বেআইনি তোলাবাজি এবং অপরাধমূলক কাজকর্ম করে থাকে এই দলটি। পুলিশ তদন্ত করে জানতে পেরেছে, টাকার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই তাপস নস্করকে খুন করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ৫ মে রাতে এন্টালিতে পাড়ার মধ্যেই তাপস নস্করকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। অভিযোগ, সেখানে গুলিও চলেছিল। নিহতের বিরুদ্ধেও পুলিশের খাতায় বেশ কয়েকটি অভিযোগ দায়ের করা ছিল। পুলিশ জানায়, দু’টি ‘গ্যাংয়ের’ দ্বন্দ্বে এই খুন হয়। এলাকায় বিভিন্ন প্রমোটিং সংক্রান্ত কাজ করতেন নিহত তাপস। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু অবৈধ কাজকর্মের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। এমনকী ভোটের আগে তাপসকে নজরবন্দিও করে রাখা হয়েছিল। দীর্ঘদিন এলাকাতেও ছিলেন না তিনি। তবে ভোট মিটতেই ফের এন্টালিতে ফেরেন তাপস।

এরপরেই ৫ মে রাতে এন্টালির চৌধুরী লেনে খুন হন তিনি। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই নিহত প্রোমোটার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাঁর পরিবারের দাবি ছিল, এই বিধানসভা ভোটেও তৃণমূল প্রার্থীকে জেতাতে ‘কাজ’ করেছিলেন তিনি। মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১১টি মামলা ঝুলে রয়েছে এন্টালি থানাতেই। তাঁর বিরুদ্ধেও খুনের চেষ্টা, তোলাবাজি, অপহরণ সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।জানা যায়, গত ৫ মে তাপসকে ফোন করে বাড়ির বাইরে আসতে বলে কয়েকজন। সেই ফোন পেয়েই বেরিয়ে যান তাপস। অনেক খোঁজাখুঁজি করা হলেও সন্ধান পাওয়া যায়নি তাঁর। ভোররাতে রাধানাথ চৌধুরী রোডের একটি নির্মীয়মাণ আবাসনের সামনে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেটা ছিল তাপসের দেহ। বস্তার ভিতর থেকে পা বেরিয়েছিল। দেখা যায়, তাপসের হাত ও পা বাঁধা ছিল। প্রোমোটারের পা লক্ষ্য করে গুলি করে প্রথমে তাঁকে ঘায়েল করা হয়। তারপরই যুবকের হাত-পা বেঁধে চপার দিয়ে কোপানো হয়েছিল। ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে পুলিশ। এরপরই গ্রেফতারির পালা শুরু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *