রাজ্যে শিয়রে ভোট। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে, এবার হুমায়ুন কবিরের পার্টি ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ পেয়ে গেল রেজিস্ট্রেশন। উল্লেখ্য, তাঁর পার্টির এই নাম আগে ছিল শুধুমাত্র ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’। মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, হুমায়ুন কবির জানতে পেরেছিলেন যে, এই নামটিতে আরও একটি রাজনৈতিক পার্টির রেজিস্ট্রেশন রয়েছে। তারপরই তাঁর পার্টির নামের আগে ’আম’ শব্দটি জুড়ে দেন তিনি। তবে তাঁর পার্টি রেজিস্ট্রেশন পেলেও, এখনও কমিশনের স্বীকৃতি পাওয়া বাকি রয়েছে হুমায়ুনের।
পার্টির নামে কমিশনের রেজিস্ট্রেশন মঞ্জুরের পরের পদক্ষেপ হল, সংবাদপত্রে নতুন রাজনৈতিক দলের বিষয়ে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। তাতে যদি কোনও আপত্তি না ওঠে তাহলে রাজনৈতিক দল হিসাবে স্বীকৃতি দিতে পারে নির্বাচন কমিশন। তবে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, হুমায়ুন কবিরের পার্টির প্রতীক কী হবে তা নিয়ে। ফ্ল্যাশব্যাকে গেলে, দেখা যাবে, ২০১৬ সালে যেবার নির্দল প্রার্থী হিসাবে হুমায়ুন লড়েছিলেন, সেবার তিনি টেবিল চিহ্নে লড়েছিলেন। এবারও কি সেই টেবিল চিহ্নই দলের প্রতীক হিসাবে তিনি বেছে নেবেন? জল্পনা, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তবে যতক্ষণ না হুমায়ুন কবিরের দল, কমিশনের কাছ থেকে স্বীকৃতি পাচ্ছে ততক্ষণ প্রতীকের প্রশ্ন উঠছে না। আগে দলকে স্বীকৃতি পেতে হবে। তারপর প্রতীকের প্রশ্ন আসবে। স্বীকৃতির পর হুমায়ুনকে প্রতীকের জন্য আবেদন করতে হবে।
এর আগে, ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’র রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। তারপর এগোতে থাকে প্রক্রিয়া। মনে করা হচ্ছিল আবেদনের ১৫ দিনের মাথাতেই এই অনুমোদন আসবে। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর নিজের নতুন দলের নাম ঘোষণা করেছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। প্রকাশ করেন দলীয় ইস্তেহারও। সেই সময় তাঁর দলের নাম জেইউপি হিসাবে সম্বোধিত হলেও, বর্তমানে একটি বাড়তি শব্দ যোগ হওয়ায় তাঁর দলের নাম এজেইউপি হয়েছে। আপাতত নজর তাঁর দলীয় প্রতীক ও স্বীকৃতির দিকে।
