Humayun Kabir’s Babri Masjid। হুমায়ুনের বাবরি শিলান্যাসে জনজোয়ার! বিরিয়ানি কম পড়বে? হল যানজট

Spread the love

হুমায়ুন কবীরের বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে জনজোয়ার নামল। তার জেরে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি এমনই হয়েছে, যে পরিমাণ বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়েছে, তা কম পড়ে যাবে বলেও মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। সরকারিভাবে কিছু জানানো না হলেও একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে যে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়েছে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানে। আর যে অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সদ্য ছেঁটে ফেলা ভরতপুরের বিধায়ক। তিনি দাবি করেছেন, রাজ্য সরকারের তরফে বাবরি মসজিদ তৈরির ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তিনি মাথা নোয়াবেন। প্রয়োজনে শহিদ হয়ে যাবেন। কিন্তু বাবরি মসজিদ তৈরি করেই ছাড়বেন বলে দাবি করলেন হুমায়ুন।

আর তিনি যখন সেই হুংকার দিচ্ছেন, তখন জাতীয় সড়ক কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যায়। মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগেই ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে একের পর এক গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। যে লেন ধরে কলকাতাগামী গাড়িগুলি আসে, সেখানে প্রবল যানজট তৈরি হয়। দাঁড়িয়ে পড়ে পরপর গাড়ি। তবে শিলিগুড়ি যাওয়ার লেনে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো আছে। আর কলকাতা এবং শিলিগুড়িগামী লেনে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক ঘণ্টা লাগবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

তারইমধ্যে আজ সংহতি দিবসে ‘মিলেমিশে থাকার’ বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘একতাই শক্তি। আমি সকলকে সংহতি দিবস বা সম্প্রীতি দিবস উপলক্ষে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। বাংলার মাটি একতার মাটি। এই মাটি রবীন্দ্রনাথের মাটি, নজরুলের মাটি, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের মাটি – এই মাটি কখনও মাথা নত করেনি বিভেদের কাছে, আগামিদিনেও করবে না।’

অন্যদিকে হুমায়ুনকে নিশানা করে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, ‘বাংলায় কোনও ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তিগণ তাঁদের জায়গায় মন্দির, মসজিদ, গির্জা কিংবা তাঁদের ধর্মের আরাধনার জায়গা করতেই পারেন। তার জন্য তাঁকে বহিষ্কার বা তাঁর প্রতি কোনও শাস্তিমূলক কোনও ব্যবস্থা এগুলো হতে পারে না। এগুলো কখনও তৃণমূল কংগ্রেস করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।’

সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যদি কোনও ব্যক্তি অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্তের ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মের মোড়কে রাজনৈতিক অঙ্কে সেই ধর্মকেন্দ্রিক কোনও ইভেন্টকে দিয়ে ভোটের রাজনীতির বিষাক্ত মেরুকরণের মায়াজাল তৈরি করতে চান এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করেন। তিনি যদি দলবিরোধী কাজ করেন কিংবা সাংগঠনিকভাবে দলকে বিড়ম্বনায় ফেলার চেষ্টা করেন। সেক্ষেত্রে বিষয়টা আর ধর্মের বলে থাকে না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *