শান্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করানোর জন্য রাজ্যে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছিল নির্বাচন কমিশন। তবে তা সত্ত্বেও প্রথম দফায় বেশ কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে বঙ্গে। আর এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লক্ষ্য করেই পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, দুবরাজপুর বিধানসভার খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের ৬৫ নম্বর বুথে ঘটনাটি ঘটেছে।
অভিযোগ, সেই বুথে নাকি ইভিএমে তৃণমূলের বোতামে টিপলে বিজেপিতে ভোট চলে যাচ্ছিল। এই অভিযোগে ভোট বন্ধের দাবি জানায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। সেই সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসা শুরু হয় তাদের। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন জওয়ান জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এক জওয়ানের মাথা ফেটে যায় বলেও জানা যায়। জখম হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ির চালকও। বেশ কিছু গাড়িতেও সেখানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।
এদিকে দিনভর কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ কেশপুরের বাজুয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটারদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে রিগিংয়ের অভিযোগে করেছেন উদয়ন গুহ। দিনহাটার তৃণমূল প্রার্থী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট দিচ্ছে। একজন ভদ্রলোক নাতিকে নিয়ে ভোট দিতে আসেন। সেই নাতিকে সরিয়ে সেন্ট্রাল ফোর্স নিজে ভোট দিচ্ছে।’ অপরদিকে বীরভূমের সিউড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল এজেন্টকে বুথে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। এছাড়া বীরভূমের নানুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল কর্মীদের শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে কোতুলপুর বিধানসভায়। ওই বিধানসভার যমুনা গ্রামে বুথের কাছে থাকা তৃণমূলের ক্যাম্প ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনার খবর পেয়ে কোতুলপুরের তৃণমূল প্রার্থী হরকালী প্রতিহার ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
