India-Bangladesh Border Fencing। এপারে ৪৫ দিনের মধ্যে কাঁটাতারের জমি পাবে বিএসএফ

Spread the love

India-Bangladesh Border Fencing: নিজের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই বিএসএফ-কে কাঁটাতারের জন্য জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাঁর কথায়, ‘সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ভারতের কোনও রাজ্যে সরকার পরিবর্তন বা অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, যেমন কাঁটাতার নির্মাণ তাদের নিজস্ব বিষয়। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সার্বক্ষণিক সজাগ রয়েছে।’

সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের দুই পাচারকারী বিএসএফের গুলিতে মরে যায় সীমান্তে। এই নিয়ে বাংলাদেশিদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। ঢাকা বারবার ‘সীমান্ত হত্যা’ বন্ধের কথা বলছে। তবে পাচার এবং অনুপ্রবেশ রুখতে ব্যর্থ হচ্ছে বিজিবি। এই আবহে ভারতের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে বদ্ধপরিকর বিএসএফ। তবে বাংলাদেশের একাংশ যেন সীমান্ত অনুপ্রবেশকে তাদের ‘জন্মসিদ্ধ অধিকার’ হিসেবে মনে করছেন। এর আগে জায়গায় জায়গায় ভারতের বিএসএফ কাঁটাতার দিতে গেলে তাতে বাধা দিতে দেখা গিয়েছে বিজিবিকে। আবার বিজিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ, বহু জায়গায় তারাই ঘুষ নিয়ে অনুপ্রবেশে ‘সাহায্য’ করে দেয়। তবে বিএসএফ গুলি চালালেই বাংলাদেশের মৌলবাদীরা সরব হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, ১১ মে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা। সেখানেই বিএসএফকে কাঁটাতারের জন্য জমি দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। ৪৫ দিনের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে বলে সংশ্লিষ্ট দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই নিয়ে সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, ‘রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। প্রথম দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর এবং বিএসএফ-কে আমরা জমি হস্তান্তরে অনুমোদন দিলাম। ভূমি ও রাজস্ব সচিব এবং মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হল। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে প্রয়োজনীয় জমি তুলে দেওয়া হবে।’ এর আগে তৃণমূল জমানায় সীমান্তে জমি দেওয়া নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত লেগেই থাকত। তবে নয়া সরকার আসতেই পরিস্থিতি বদলেছে। আবার এপার বঙ্গে বিজেপির জয়ে ওপারে শুরু হয়েছে নতুন অপপ্রচার।

এর আগে বাংলাদেশের শাসকদল বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা তথা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছিলেন, ‘ভারতের সাথে বাংলাদেশ চায় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তবে বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক হবে না।’ তাঁর কথায়, ‘বারবার বাংলাদেশিদের সীমান্তে কেন গুলি করা হবে। সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? গতকাল (৯ মে) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ তো ভারতের মানুষও চায় না। আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে হলে দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *