Indigo Flight। বিকল ইন্ডিগোর বিমানের ইঞ্জিন

Spread the love

 

Indigo Flight Engine Failure: DGCA-এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বিমানের যাত্রীরা। কলকাতা থেকে শিলং যাওয়ার কথা ছিল ইন্ডিগোর একটি বিমানের। কিন্তু রানওয়ের দিকে এগোনোর সময়ই আচমকা বিকল হয়ে যায় বিমানের একটি ইঞ্জিন। সেই বিমানে ছিলেন তিন সাংসদ-সহ অন্তত ৬৭ জন যাত্রী। ঘটনার জেরে প্রায় দু’ঘণ্টা বিমানের ভিতরেই আটকে থাকতে হয় তাঁদের। শেষ পর্যন্ত উড়ান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন পাইলট। এই ঘটনায় বিমান সংস্থার পাশাপাশি দেশের বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA)-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ডিএমকে সাংসদ পি উইলসন। শুধু তদন্ত নয়, নিরাপত্তার সঙ্গে আপস হলে বিমান সংস্থার লাইসেন্স বাতিলেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে শিলংয়ের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ইন্ডিগোর 6E 7423 উড়ানের। একটি যৌথ সংসদীয় কমিটির (DGCA) প্রকাশ্য শুনানিতে যোগ দিতে শিলং যাচ্ছিলেন সাংসদরা। সেই কারণেই বিমানে ছিলেন রাজ্যসভার ডিএমকে সাংসদ পি উইলসন-সহ আরও দুই সাংসদ। এ ছাড়াও ছিলেন ৬৭ জন যাত্রী। উইলসন সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, বিমানটি পার্কিং বে থেকে রানওয়ের দিকে এগোচ্ছিল। আচমকাই সেটি থেমে যায়। পরীক্ষা করে দেখা যায়, বিমানের একটি ইঞ্জিন কাজ করছে না (Indigo Flight Engine Failure)। ওড়ার আগেই ইঞ্জিন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন পাইলট।

এর পরেও যাত্রীদের দ্রুত বিমান থেকে নামানো হয়নি বলে অভিযোগ। প্রায় দু’ঘণ্টা তাঁদের বিমানের ভিতরেই অপেক্ষা করতে হয়। পরে পাইলট ঘোষণা করেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ওই উড়ান বাতিল করা হচ্ছে। স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্ক ছড়ায় যাত্রীদের মধ্যে। মাঝ আকাশে এই ধরনের বিপত্তি ঘটলে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত, সেই প্রশ্নও তুলেছেন উইলসন।

ঘটনার পরেই DGCA-র ভূমিকা নিয়ে সরব হন ডিএমকে সাংসদ। তাঁর প্রশ্ন, যে বিমানের ইঞ্জিনে এমন গুরুতর সমস্যা রয়েছে, সেটি কী ভাবে উড়ানের অনুমতি পেল? কীসের ভিত্তিতে বিমানটিকে উড়ানের উপযুক্ত বলে শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল? উইলসনের দাবি, বিমানটি আদৌ নিরাপদ ছিল না। তা সত্ত্বেও সেটিকে উড়ানের অনুমতি দেওয়া হয়ে থাকলে তা গুরুতর গাফিলতি।

Indigo Flight Engine Failure

কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডুর হস্তক্ষেপও চেয়েছেন তিনি। সাংসদের দাবি, দেশে চলাচলকারী সমস্ত বিমানের এয়ারওয়ার্দিনেস সার্টিফিকেট বা উড়ানের উপযুক্ত হওয়ার শংসাপত্র নতুন করে খতিয়ে দেখা হোক। প্রয়োজনে নজরদারি সংস্থার মাধ্যমে আচমকা পরিদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে। কোনও বিমানকে অনিরাপদ বলে চিহ্নিত করা হলে তার শংসাপত্র বাতিল করে সেটিকে অবিলম্বে বসিয়ে দিতে হবে।

শুধু একটি বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, বিমান সংস্থা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে সম্ভাব্য যোগসাজশ নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন উইলসন। তাঁর দাবি, কিছু বিমান সংস্থা এবং ডিজিসিএ-র কিছু আধিকারিকের মধ্যে অশুভ বোঝাপড়ার কারণে নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা হচ্ছে। এমন ঘটনা বন্ধ করতে দোষীদের শাস্তি এবং দায়িত্বে গাফিলতি করা আধিকারিকদের বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

 

Tag: Air Indigo | National News | Offbeat

Follow Us on: YouTube

Leave a Reply