ISKCON and Radharamn Das: ইসকনের সমস্ত পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করলেন রাধারমণ দাস। রবিবার সন্ধ্যায় একটি বিবৃতি জারি করে তিনি বলেছেন, ‘আমি শুভানুধ্যায়ী, ভক্তবৃন্দ, গণমাধ্যম ও সর্বসাধারণকে জানাতে চাই যে ইসকনের সকল দায়িত্ব থেকে আমায় অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম, সরকারি কর্তৃপক্ষ অথবা কোনও প্রকাশ্য মঞ্চে ইসকনের প্রতিনিধিত্ব না করার বা তাদের হয়ে কোনও বক্তব্য না রাখার জন্যও আমায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
৬ কারণের উল্লেখ করেছেন রাধারমণ দাস
যদিও বিষয়টি নিয়ে ইসকন কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কলকাতা ইসকনের ‘সদ্য প্রাক্তন’ সহ-সভাপতি এবং মুখপাত্র অবশ্য তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরানোর ক্ষেত্রে কয়েকটি কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, কী কী কারণে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রাথমিকভাবে কয়েকটি কারণ জানানো হয়েছে।
‘বাংলাদেশের হিন্দু-নিধন নিয়ে মুখ খোলা…’
কলকাতা ইসকনের ‘সদ্য প্রাক্তন’ সহ-সভাপতি দাবি করেছেন, ‘প্রথমত, বাংলাদেশে হিন্দু ও ভক্তদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে জনসমক্ষে বক্তব্য রাখা এবং সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার প্রদান। চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর সমর্থনে ও তাঁর বিষয়ে কথা বলা। দ্বিতীয়ত, মানেকা গান্ধী ইসকনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে যে অভিযোগ তুলেছিলেন (ইসকন কসাইদের কাছে গরু বিক্রি করে), তার জবাবে এই আইনি নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি।’
আর কী কী ‘কারণের’ উল্লেখ করেছেন?
সেই রেশ ধরে আরও চারটি ‘কারণের’ কথা উল্লেখ করেছেন কলকাতা ইসকনের ‘সদ্য প্রাক্তন’ সহ-সভাপতি। তিনি দাবি করেছেন, ‘তৃতীয়ত, কমেডিয়ান সুরলীন কৌর ইসকনের বিরুদ্ধে জনসমক্ষে অবমাননাকর মন্তব্য করায় একটি সাইবার অভিযোগ দায়ের করা হয়। তিনি বলেছিলেন যে ইসকনের ভক্তরা হারামি এবং পর্ন-ওয়ালে। চতুর্থত, সনাতন ধর্ম নির্মূল’ করার পক্ষে যে লবি আছে, সেটার বিরুদ্ধে সনাতন ধর্মের সমর্থনে প্রকাশ্যে বিবৃতি প্রদান। পঞ্চমত, ১৯৭৬ সালের নিউ ইয়র্ক রথযাত্রার সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঐতিহাসিক যোগসূত্র বিষয়ক একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট শেয়ার করা।’
আর কফিনে শেষ পেরেক হিসেবে একটি বাংলা সংবাদমাধ্যম দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারের কথা তুলে ধরেছেন কলকাতা ইসকনের ‘সদ্য প্রাক্তন’ সহ-সভাপতি। তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরানোর যে কারণ দেখানো হয়েছে, তার ‘শেষ পেরেক’ ছিল ওই সাক্ষাৎকার। যে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন যে ‘বাংলায় আমরা হিন্দু হৃদয় সম্রাট পেয়ে গিয়েছি।’
