Lohagad Fort death case: পুণের ২৬ বছর বয়সি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কেতন বিশাল আগরওয়ালের খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ। গত ১৮ জুন কেতনকে তাঁর বাগদত্তা সিয়া গোয়েল ও তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধরী মহারাষ্ট্রের ঐতিহাসিক লোহাগড় দুর্গের উপর থেকে ঠেলে ফেলে খুন করে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার দিন দশেক পর পুণের গ্রামীণ পুলিশ সিয়াকে দুর্গের উপরে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে।
কেতন আগরওয়ালের খুনের দিন ঠিক কি ঘটেছিল তা পুনর্গঠনের জন্য রবিবার পুলিশ অভিযুক্ত সিয়া গোয়েলকে নিয়ে যায় ঘটনাস্থলে। সকাল সাড়ে ৬টায় তাঁকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। পুণে গ্রামীণ পুলিশের সুপারিন্টেন্ডেন্ট সন্দীপ সিং গিল জানিয়েছেন, ধৃতদের কাছ থেকে ঘটনার সময়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। ঘটনার দিন অভিযুক্তরা কোন পথ ধরে গিয়েছিলেন, ঘটনাস্থলে তাদের অবস্থান, কর্মকাণ্ড এবং ঘটনাটি যেভাবে ঘটেছিল, তা জানতে পুলিশ সম্পূর্ণ ঘটনা পুনর্নির্মাণ করেছে। পুলিশের মতে, ঘটনার দিন অভিযুক্তরা কোন পথ ধরে গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তাঁদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গিয়েছে।
ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ গজানন টোম্পে বলেছেন, ঘটনাস্থল পুননির্মাণের জন্য পুলিশ কেতনের সমান ওজনের একটি ম্যানিকুইন ব্যবহার করা হয়েছিল। পুনর্নির্মাণের অংশ হিসেবে, ডামিটিকে দুর্গের দেয়াল থেকে নিচে ঠেলে ফেলা হয়। আর কী কী করা হয়েছিল সেই সমস্ত তথ্য যাচাই করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ১৮ জুন কেতন আগরওয়ালের প্রাণ কেড়ে নেওয়া সেই মারাত্মক ঘটনাপ্রবাহের হুবহু পুনর্নির্মাণ করা। অভিযোগ উঠেছে, সিয়া গোয়েল (২০) এবং চেতন চৌধুরী (২২) ষড়যন্ত্র করে ২৬ বছর বয়সি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীকে কেতন আগরওয়ালকে একটি গভীর গিরিখাতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করে। সিয়া তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি কেতন আগরওয়ালকে বিয়ে করতে চাননি এবং সেই কারণেই তাঁকে হত্যা করার জন্য চেতন চৌধুরীর সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, বিয়ে ভেঙে দিলে তার পরিবারের বদনাম হবে। একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলমান তদন্তে মামলার বিভিন্ন দিক, যেমন, অপরাধের পরিকল্পনা, ঘটনার আগে ও পরে অভিযুক্তদের গতিবিধি, তাদের ডিজিটাল গতিবিধি এবং হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যের ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
