Javelin Missile Production in India: ভারতে জ্যাভলিন মিসাইল যৌথভাবে তৈরির জন্য মউ স্বাক্ষর করল টাটা গোষ্ঠী। আমেরিকার রেথিয়ন এবং লকহিড মার্টিন মিলিতভাবে যে সংস্থা (জ্যাভলিন জয়েন্ট ভেঞ্চার) গঠন করেছে, তার সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেড। লকহিড মার্টিনের তরফে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে ভারতে যৌথভাবে জ্যাভলিন তৈরির জন্য টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মেলানো হয়েছে। ওই মিসাইলের কয়েকটি উপকরণ তৈরির পাশাপাশি ভারতেই ‘ফাইনাল অ্যাসেম্বলি’-র কাজ করা হবে।
২৯২ কোটি টাকার জ্যাভলিন মিসাইল কেনার চুক্তি ভারতীয় সেনার
আর সেই মউয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে ভারতীয় সেনার চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পরে। ৬০টির মতো অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড জ্যাভলিন মিসাইল কেনার জন্য ২৯২ কোটি টাকার চুক্তি করেছে ভারতীয় সেনা। অপারেশন সিঁদুরের পরবর্তীকালে যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতের ক্ষমতা আরও বাড়ানোর জন্য সেই গুরুত্বপূর্ণ মিসাইল কেনার পথে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।
জ্যাভলিন মিসাইল এত মারাত্মক কেন?
এমনিতে জ্যাভলিন অত্যাধুনিক ও মাঝারি দূরপাল্লার অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল। যা কাঁধে করে বয়ে নিয়ে গিয়ে শত্রুপক্ষের ট্যাঙ্কে হামলা চালানো হয়। এই মিসাইলের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল যে জ্যাভলিন একবার নির্দিষ্ট টার্গেটের দিকে ছুড়ে দেওয়ার পরে নিজেই নিজের লক্ষ্যবস্তুকে ধাওয়া করে আঘাত হানতে পারে। অপারেটরকে আর আলাদা করে নির্দেশ দিতে হয় না। লাগাতার টার্গেটের দিকে মিসাইলকে এগিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে অপারেটর জায়গা পরিবর্তন করতে পারবেন। যে মিসাইল ইমেজিং ইনফ্রারড সিকার প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
সেই মিসাইলের ভারতে উৎপাদন হওয়ার বিষয়ে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস এবং জ্যাভলিন জয়েন্ট ভেঞ্চারের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ভারতে যৌথ উৎপাদনের প্রক্রিয়া চালু হলে প্রতিরক্ষা শিল্প-কাঠামো শক্তিশালী হবে; কারণ এর ফলে জ্যাভলিন এইউআরের চূড়ান্ত সংযোজন ও সমন্বয়ের কাজ ভারতের নিজস্ব কারখানা ও সরবরাহকারীদের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। পাশাপাশি এটি উচ্চ-প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্থানীয় উৎপাদন-দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী জোগানের পাইপলাইনের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও সহায়তা করবে।’