আরজি কর কাণ্ডের সময় টালা থানার ওসি ছিলেন অভিজিৎ মণ্ডল। সেই অভিজিৎকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে তিনি ফের পুলিশের দায়িত্বে ফিরেছেন। বর্তমানে পর্ণশ্রী থানায় আছেন তিনি। এহেন অভিজিৎকে মানিকতলা থানার ওসি করে বদলির নোটিশ জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। তবে সেই বিজ্ঞপ্তি জারির কিছু পরই নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, অনিচ্ছাকৃতভাবে অভিজিৎ মণ্ডলের নাম বদলির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তিনি পর্ণশ্রী থানার দায়িত্বেই থাকবেন।
উল্লেখ্য, রবিবার রাজ্যের একাধিক থানার ওসি বদল করে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রাম, ভবানীপুর সহ রাজ্যের ১৭৩টি থানার ওসি বদল করার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় ২৯ মার্চ। জানানো হয়, ভবানীপুর থানার ওসি করা হয় সৌমিত্র বসুকে। এর আগে তিনি কলকাতা পুলিশের এসটিএফে ছিলেন। আর নন্দীগ্রাম থানার ওসি করা হয় শুভব্রত নাথকে। তিনি আগে চন্দননগর থানায় কর্মরত ছিলেন। এছাড়া বদল করা হয় গিরিশপার্ক থানার ওসিকে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদীর ব্রিগেড সমাবেশের দিনে এই গিরিশ পার্কেই তুমুল ঝামেলা। হাঁসখালি থানার ওসিকেও বদল করা হয়েছে। কালীঘাট, জোড়াসাঁকো এবং ভাঙড়ের থানারও ওসি বদল করা হয়েছে। গিরিশপার্কে ওসি করা হয় সুমিতকুমার ঘোষকে, হাঁসখালি থানার ওসি হন শিয়ালদহ জিআরপি–র মনতোষ গৌড়, কালীঘাটে ওসি হন গোয়েন্দা বিভাগের উৎপলকুমার ঘোষ, জোড়াসাঁকোতে ওসি হন গোয়েন্দা বিভাগের সুশান্ত মণ্ডল, ভাঙড়ে ওসি হন দেবকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে শুধু ১৭৩টি থানার ওসি বদল করার পাশাপাশি ডিস্ট্রিক্ট ইন্টেলিজেন্স ব্র্যাঞ্চের ১১ জন আধিকারিককেও বদলির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে, নন্দীগ্রামের দুটি ব্লক-সহ রাজ্যের ১৮টি জেলার ৮৩টি ব্লকের বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে বদলির নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। তাঁরা সকলেই সহকারী রিটার্নিং অফিসার (এআরও) ছিলেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেই সবথেকে বেশি ব্লকে বিডিও বদল করা হয়েছে এই দফায়।
