Kunal Ghosh on Babri Controversy। ‘ধর্মের নামে রাজনীতি…অমুক কণ্ঠে গীতা পাঠ…’

Spread the love

মসজিদ তৈরি করার জন্যেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন হুমায়ুন কবির। এই আবহে ভরতপুরের বিধায়ক পালটা দাবি করেছিলেন, ডিসেম্বরেই তিনি নয়া দলের ঘোষণা করবেন এবং শতাধিক আসনে লড়বেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গদিচ্যুত করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন তিনি। তবে সত্যি কি মসজিদ তৈরির জন্যেই হুমায়ুনকে দল সাসপেন্ড করেছে? এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করলেন, মসজিদ তৈরি করার জন্য সাসপেন্ড করা হয়নি হুমায়ুনকে।

কুণাল ঘোষ বলেন, ‘বাংলায় কোনও ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তিগণ তাঁদের জায়গায় মন্দির, মসজিদ, গির্জা কিংবা তাঁদের ধর্মের আরাধনার জায়গা করতেই পারেন। তার জন্য তাঁকে বহিষ্কার বা তাঁর প্রতি কোনও শাস্তিমূলক কোনও ব্যবস্থা এগুলো হতে পারে না। এগুলো কখনও তৃণমূল কংগ্রেস করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। কিন্তু, যদি কোনও ব্যক্তি অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্তের ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মের মোড়কে রাজনৈতিক অঙ্কে সেই ধর্মকেন্দ্রিক কোনও ইভেন্টকে দিয়ে ভোটের রাজনীতির বিষাক্ত মেরুকরণের মায়াজাল তৈরি করতে চান এবং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করেন। তিনি যদি দলবিরোধী কাজ করেন কিংবা সাংগঠনিকভাবে দলকে বিড়ম্বনায় ফেলার চেষ্টা করেন। সেক্ষেত্রে বিষয়টা আর ধর্মের বলে থাকে না।’

তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেস সব ধর্মকে সম্মান করে। কিন্তু, কিছু লোক যখন ধর্মের নামে রাজনৈতিক ইভেন্ট করে, যেমন অমুক কণ্ঠে গীতা পাঠ। তখন আমরা গীতার বিরোধিতা করি না। ওই ইভেন্টের বিরোধিতা করার অবকাশ থাকে। তেমনই কেউ মসজিদ তৈরি করলে করতেই পারেন। কিন্তু, সেটা যদি অন্য রাজনৈতিক দলের চক্রান্ত কিংবা প্ররোচনার ফাঁদে পড়ে একটি রাজনৈতিক ইভেন্টে পরিণত হয় ও তার উদ্দেশ্য অন্য কিছু থাকে, সেক্ষেত্রে সেটা সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পর্যবেক্ষণের আওতায় পড়ে যায়। ফলে কেউ যদি বলেন, আমাকে অমুক তৈরির জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে, সেটা একদম মিথ্যা কথা। মন্দির, মসজিদ তৈরির জন্য তৃণমূল ব্যবস্থা নেয়নি, নেবে না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *