Mamata Banerjee Slap Case: মেজাজ হারিয়ে চড় মারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ কালীঘাটে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করার সময় আচমকা একজনকে থাপ্পড় মারেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। দাবি করা হয়েছে যে ওই ব্যক্তি আসলে কালীঘাট তৃণমূলেরই এক কর্মী। তাছাড়াও ভিড় নিয়ন্ত্রণের সময় ধাক্কা দিতে দেখা যায় নিজের দলেরই লোকজনকে। তুমুল বকাবকিও করেন। চোটপাট করেন দলের কর্মীদেরই। হ্যান্ডমাইক নিয়ে ‘বেরো বেরো’ বলেও চিৎকার করতে থাকেন। ‘ডোন্ট ডিস্টার্ব মি’ বলেও বকাবকি করতে থাকেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
‘তৃণমূলের অহংকারের প্রকৃত চেহারা’, আক্রমণ মমতার
আর সেই ঘটনা নিয়ে মমতা ও কালীঘাট তৃণমূলকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন মিডিয়া-ইন-চার্জ তুষারকান্তি ঘোষ বলেন, ‘এ যেন চরম লজ্জাজনক! প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ একজন মানুষকে চড় মারছেন- এটাই তৃণমূলের অহংকারের প্রকৃত চেহারা। জনসমর্থন হারানোর হতাশা আজ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সাধারণ মানুষও তাঁদের রোষের শিকার হচ্ছেন। এই ঔদ্ধত্যই তৃণমূল কংগ্রেসের পতনের অন্যতম কারণ। বাংলার মানুষ সব দেখছেন।’
তৃণমূলের ভিড় ঘিরে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়
এমনিতে আজ প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কলকাতায় কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রথম থেকেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল শুরু হওয়ার পরে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হতে থাকে।পালটা তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে এলাকা।একটা সময় হাতাহাতি বেঁধে যায় তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেই ঘটনায় বিজেপি এবং পুলিশকে নিশানা করেন মমতা। তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের ছেলে-মেয়েদের উপরে হামলা চালানো হয়েছে। মারধর করা হয়েছে তাঁদের।

‘মেয়েদেরও মারা হয়েছেে, ছেলেদেরও মারা হয়েছে’
মমতা অভিযোগ করেন, ‘ভাড়াটিয়া গুন্ডা-লুম্পেনদের নিয়ে এসেছে। মেয়েদের গায়ে যেভাবে হাত দিয়েছে..আমি তাদের উদ্ধার করার জন্য গেটের বাইরে গিয়েছিলাম। আমি দেখেছি প্রত্যেকের মাথায় রক্ত। মেয়েদের গাল থেকে শুরু করে বুক থেকে শুরু করে, তাদের প্রাইভেট পার্টস থেকে শুরু করে….ছেলেদেরও মারা হয়েছে। মেয়েদেরও মারা হয়েছে। এত জঘন্যতম ঘটনা ঘটছে। এই পরিবর্তন কি বাংলার মানুষ চেয়েছিলেন?’