Married daughter compassionate appointment। বাবা-মা মারা গেলে বিবাহিত মেয়েদের চাকরি মিলবে?

Spread the love

Married daughter compassionate appointment: বাবা বা মায়ের মৃত্যুর পরে সন্তানকে যে চাকরি দেওয়া হয়, তা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না বিবাহিতা মেয়েকে। জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় খারিজ করে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি পিএস নরসীমা এবং বিচারপতি অলোক আরাধের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বম্বে হাইকোর্ট এবং কর্ণাটক হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, সেটার সঙ্গে একমত পোষণ করা হচ্ছে। ওই দুটি হাইকোর্ট বলেছিল যে যোগ্য মেয়েকে সমাজকল্যাণমূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার ক্ষেত্রে বৈবাহিক অবস্থা কোনও ভিত্তি হতে পারে না।

হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহিলা

তবে সুপ্রিম কোর্ট যে মামলার প্রেক্ষিতে এমন রায় দিয়েছে, তা এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে। এই মামলায় আবেদনকারী বিবাহিত মেয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে সরকারের জারি করা একটি নির্দেশিকাকে (বিবাহিত কন্যাদের ‘পরিবার’-এর সংজ্ঞা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল) চ্যালেঞ্জ করে ওই মহিলা দাবি করেন, বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও তিনি পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। বিশেষভাবে সক্ষম বোনের দেখাশোনা করতেন। মায়ের সঙ্গে একটি ন্যায্যমূল্যের দোকান চালাতেন। মা মারা যাওয়ার পরে ওই দোকানের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল বলে দাবি করেন মহিলা।

অতীতের রায় ও এলাহাবাদ হাইকোর্ট

মহিলার আবেদনের প্রেক্ষিতে অতীতে বিভিন্ন মামলার বিচার করেছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ২০১৫ সালের বিমল শ্রীবাস্তব বনাম উত্তরপ্রদেশ সরকারের মামলায় রায় বিচার করেছিল। ওই রায়ে বলা হয়েছিল যে বিবাহিত মেয়েদের পরিবারের সংজ্ঞা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি অসাংবিধানিক। আর ভারতীয় সংবিধানের ১৪ এবং ১৫ ধারার বিরোধী। সেইসঙ্গে পরিবারের সংজ্ঞা অবিবাহিত শব্দও বাদ দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি পাঠায় এলাহাবাদ হাইকোর্ট

যদিও এই নয়া মামলার ক্ষেত্রে বিমল শ্রীবাস্তব বনাম উত্তরপ্রদেশ সরকার কেসের যুক্তি প্রয়োজ্য হবে না বলে মনে করেছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ জানায়, ২০১৯ সালে রাজ্য সরকারের জারি করা নির্দেশিকায় যে ‘অবিবাহিত মেয়ে’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক নয়। তবে অতীতের ভিন্ন-ভিন্ন রায় বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পাঠায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *