এই ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিতে আপনি যদি নয় বছর আগে এক লাখ টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন, তাহলে এখন সেটা ১.১৪ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে। আর সেই সংস্থার নাম হল ফ্রেডুন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। যে সংস্থা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন পণ্য এবং ওষুধ তৈরি করে। বিদেশেও রফতানি করে থাকে। সেই সংস্থা সাম্প্রতিক সময় ভারতের শেয়ার বাজারে অন্যতম ‘সেরা’ হয়ে উঠেছে।গত ছয় মাস ধরে শেয়ার বাজারে ফ্রেডুন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের উত্থান অব্যাহত আছে। অক্টোবরেও বজায় রয়েছে সেই ধারা। শুক্রবার বাজার বন্ধের সময় বিএসইতে ফ্রেডুন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রতিটি শেয়ারের দাম ১,৪৩০.১ টাকা। বৃহস্পতিবারের থেকে প্রতিটি শেয়ারের দাম ১১.৪ টাকা বেড়েছে (০.৮ শতাংশ)। এমনকী ১,৪৫০.৮৫ টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল একবার।
বিএসইতে ফ্রেডুন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের যে ৫২ সপ্তাহের স্তর, সেই দিনটা আসলে এসেছিল এই সপ্তাহেই। গত ৬ অক্টোবর ফ্রেডুন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রতিটি শেয়ারের দাম ১,৪৫৫ টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল। আর ৫২ সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তরে এসেছিল সেই জানুয়ারিতে। চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি ওই ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৬৩৫ টাকায় নেমে গিয়েছিল।

আর শেয়ার বাজারে সেই দুর্দান্ত উত্থানের কারণে ফ্রেডুন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বাজারি মূলধন ৬৭৫ কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছে (১০ অক্টোবরের হিসাব অনুযায়ী)। গত নয় বছরে শেয়ার বাজারে ওই সংস্থা ‘গ্রিন’ তালিকায় শেষ করেছে সাতবার। ২০১৮ সালে ২২৩ শতাংশ উত্থান হয়েছিল। যদি চলতি বছরের বাকি দু’মাসে এরকম ছন্দ ধরতে পারে, তাহলে ২০২০ সাল থেকে সর্বাধিক বার্ষিক উত্থানের সাক্ষী থাকবে ফ্রেডুন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালে ফ্রেডুন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের যাত্রা শুরু হয়েছিল। আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, লাতিন আমেরিকার মতো দেশে ব্যবসা করে থাকে। বিশ্বের ৫২টি দেশে ফ্রেডুন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ৬৯৭টি দ্রব্য নথিভুক্ত আছে। এবার পোষ্যদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও নিজেদের শাখাপ্রশাখা বিস্তার করতে চাইছে। একটি প্রথমসারির পোষ্যদের টেক প্ল্যাটফর্মের সমস্ত সম্পদ অধিগ্রহণ করে নিয়েছে।