বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ জন অফিসারকে গ্রেফতার করা হল। শনিবার বাংলাদেশ সেনার সদর দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে যে ১৬ জন সেনা অফিসারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ১৫ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে একজনের এখনও হদিশ মিলছে না বলে দাবি করেছে বাংলাদেশের সেনা।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার বাংলাদেশ সেনার অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মহম্মদ হাকিমুজ্জামান জানিয়েছেন যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল সংক্রান্ত মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ১৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ১৫ জনকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একজনের খোঁজ মিলছে না। তিনি সকালে বাসভবন থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু এখনও ফেরেননি।পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ সেনার অফিসার জানিয়েছেন, গত ৮ অক্টোবর তাঁরা জানতে পারেন যে বর্তমান ও প্রাক্তন মিলিয়ে ২৫ জন অফিসারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ২৫ জনের নয়জন ইতিমধ্যে অবসর গ্রহণ করেছেন। একজন অবসর নেওয়ার প্রস্তুতি সারছেন। আর ১৫ জন এখনও সেনায় কর্মরত আছেন বলে দাবি করা হয়েছে.

তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল। বাংলাদেশ সেনার প্রমোশন (পদোন্নতি) বোর্ড বিশেষ কর্মসূচি ছিল। সেখান যেমন মেজর জেনারেল পদমর্যাদার অফিসাররা ছিলেন, সেরকমই ছিলেন আরও উচ্চপদস্থ অফিসাররা। তারপর বাংলাদেশ সেনার সাধারণ কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে মোবাইল ব্যবহারের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে যে গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বাংলাদেশি সেনা অফিসারদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, সেটার কপি এখনও হাতে আসেনি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনার অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান। আর সেই তালিকায় বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকারের নাম আছে – এমন কোনও তথ্য জানানো হয়নি।