নেভাল ফিজিক্যাল অ্যান্ড ওশানোগ্রাফিক ল্যাবরেটরির জন্য একটি উন্নত মানের অ্যাকোস্টিক রিসার্চ শিপ তৈরি করতে চলেছে গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড। উল্লেখ্য, এই নেভাল ফিজিক্যাল অ্যান্ড ওশানোগ্রাফিক ল্যাবরেটরি বা এনপিওএল হল ডিআরডিও-র একটি ইউনিট। এই আবহে ১৫ অক্টোবর অ্যাকোস্টিক রিসার্চ শিপের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর পিপি হরি, জিআরএসই-র (অর্থ) ডিরেক্টর নিরঞ্জন ভালেরাও, নেভাল ফিজিক্যাল অ্যান্ড ওশানোগ্রাফিক ল্যাবরেটরির ডিরেক্টর ডঃ ডি শেষাগিরি। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ডিআরডিও-র চেয়ারম্যান ও প্রতিরক্ষা দফতরের সচিব ডঃ সমীর ভি কামাত। তিনি অনুষ্ঠানে বলেন, ‘উন্নত মানের এই নতুন জাহাজ নেভাল ফিজিক্যাল অ্যান্ড ওশানোগ্রাফিক ল্যাবরেটরির ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।’
প্রসঙ্গত, নেভাল ফিজিক্যাল অ্যান্ড ওশানোগ্রাফিক ল্যাবরেটরির কাছে বর্তমানে ‘সাগরধ্বনি’ নামক একটি গবেষণা জাহাজ রয়েছে। তা ১৯৯৪ সালে তৈরি করা হয়েছিল। ৩১ বছর ধরে এই জাহাজ দিয়ে কাজ করে চলেছে এনপিওএল। এই আবহে ২০২৪ সালের অক্টোবরেই উন্নত অ্যাকোস্টিক রিসার্চ শিপ নির্মাণ নিয়ে চুক্তিবদ্ধ হয় গার্ডেনরিচ এবং নেভাল ফিজিক্যাল অ্যান্ড ওশানোগ্রাফিক ল্যাবরেটরি।

জানা গিয়েছে, গার্ডেনরিচের তৈরি এই নয়া গবেষণা জাহাজের দৈর্ঘ্য হবে ৯৩ মিটার এবং প্রস্থে তা হবে ১৮ মিটার। এই জাহাজের গতিবেগ হবে ৪ থেকে ১২ নট। একনাগাড়ে ৩০ দিন বা সাড়ে চার হাজার নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত যাত্রা করতে পারবে এই জাহাজ। এই জাহাজে জায়গা থাকবে ১২০ জনের জন্য। উল্লেখ্য, কেন্দ্রের মোদী সরকার বারংবার ‘আত্মনির্ভর ভারত’ মন্ত্র নিয়ে সরব হয়েছে। বিশেষ করে জাহাজ তৈরির ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা বৃদ্ধি করতে চাইছে কেন্দ্র। সেই মন্ত্র অনুসরণ করেই গার্ডেনরিচ একের পর এক জাহাজ তৈরিতে হাত লাগিয়েছে। এর আগে নৌসেনার জন্যেও রণতরী তৈরি করেছে গার্ডেনরিচ।