সামনেই প্রজাতন্ত্র দিবস। তার আগে, দেশ জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তা কঠোর করা হচ্ছে। তারই মাঝে এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্য়মের খবর বলছে, ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের আশপাশে বা সেই দিনকে ঘিরে এক সংঘবদ্ধ জঙ্গি হামলার জাল বোনা চলছে। এই ছকে যেমন রয়েছে পাকিস্তান, তেমনই রয়েছে পঞ্জাবের নানান গ্যাংস্টারের সমর্থিত উগ্রপন্থীরা।
সূত্র উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, জঙ্গিরা জম্মুর রঘুনাথ মন্দির, অযোধ্যার মন্দিরে টার্গেট করতে পারে বলে এক সতর্কতা এসেছে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে। ভারতের বিরুদ্ধে নাশকতার যে প্ল্যান ছকার কাজ চলছে, তাতে পাকিস্তানের গুপ্তচর বাহিনী আইএসআই, পাকিস্তানের সেনার গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছে পাকিস্তানের খাস জঙ্গি শিবির জইশ-এ-মহম্মদ। এতে গ্রাউন্ড ওয়ার্কে তাদের মদত দিয়ে যাচ্ছে পঞ্জাবের কিছু গ্যাংস্টার সমর্থিত উগ্রপন্থীরা। ইতিমধ্যেই দেশের রাজধানী দিল্লি হাই অ্যালার্টে রয়েছে। দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় এই মুহূর্তে বহু ‘ওয়ান্টেড’র পোস্টার পড়ে গিয়েছে। দিল্লির বাস স্টপ, স্টেশনে অনেকের নামে পোস্টার পড়েছে, যাদের প্রশাসন খুঁজছে বলে খবর। এদের মধ্যে অন্যতম মহম্মদ রেহান। যে ২০১৬ সাল থেকে গা ঢাকা দিয়েছে, তাকে পুলিশ খুঁজছে। উত্তর প্রদেশে আল কায়দার মডিউল উঠে আসতেই একে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। সে দিল্লির চৌহান বাঙ্গের এলাকার বাসিন্দা বলে খবর। এছাড়াও আবু সুফিয়ান, সারজিল আখতার সহ একাধিক জন নিরাপত্তা বাহিনীর নজরে রয়েছে।
এদিকে, প্রতিবারের মতো এই বছরেও প্রজাতন্ত্র দিবস ঘিরে নিরাপত্তা কঠোর রয়েছে দেশ জুড়ে। প্রতিবেদন বলছে, বহু গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, খলিস্তানি নাশকতার ছকও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের সহযোগিতা করছে পঞ্জাবের বহু গ্যাংস্টারদের সমর্থিত সদস্যরা। সাম্প্রতিক কিছু রিপোর্ট বেশ কিছু নাশকতার আশঙ্কা তুলে ধরেছে। ‘ফ্যালকন স্কোয়াড’-এর বিবৃতির দিকেও ইঙ্গিত করেছে কিছু রিপোর্ট, যা কাশ্মীর-ভিত্তিক রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের সাথে যুক্ত একটি সন্ত্রাসী ইউনিট। যাকে নিজেই পাকিস্তান-ভিত্তিক আরেকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, লস্কর-ই-তৈয়বার একটি শাখা হিসাবে দেখা হয়। এই গোষ্ঠী কাশ্মীরে মাথাচাড়া দিয়েছে ২০১৯ সালে। ফলত সব মিলিয়ে নজর প্রজাতন্ত্র দিবস ঘিরে নিরাপত্তার দিকে।
