Ritabrata Banerjee। মমতার রাশ নেই তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ওপর

Spread the love

তৃণমূলের পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ তৃণমূলের ৫৮ জন (বহিষ্কৃত ঋতব্রত এবং সন্দীপন সাহা সমেত) বিধায়ক বিধানসভায় বৈঠক করেন। এই আবহে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হতে চলেছেন ঋতব্রত। এদিকে দলের মুখ্য সচেতক হচ্ছেন আখরুজ্জামান। এছাড়া উপদলনেতা হচ্ছেন জাভেদ খান, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এর আগে মমতার তরফ থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। মুখ্য সচেতক করা হয়েছিল ফিরহাদ হাকিমকে। তবে তাঁদের মানতে নারাজ তৃণমূলের অধিকাংশ বিধায়ক। এই আবহে তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ওপর রাশ নেই মমতার।

রিপোর্টে দাবি করা হয়, বিধায়কদের স্বাক্ষরযুক্ত একটি চিঠি নিয়ে আজ বিধানসভায় হাজির হন তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিষয়কে সামনে রেখেই এই চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে প্রায় ৬০ জন বিধায়কের সমর্থনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেই চিঠি নিয়ে স্পিকারের দপ্তরে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়। তৃণমূলের দাবি, বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই প্রেক্ষিতেই প্রায় ৬০ জন বিধায়কের স্বাক্ষরযুক্ত নথি জমা দেওয়া হয়েছে। শাসকদলের বক্তব্য, বিধানসভার প্রচলিত রীতি ও নিয়ম মেনেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের পর বিরোধী শিবিরের শক্তি ও নেতৃত্ব নিয়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। সেই আবহে ৫৮ বিধায়কের স্বাক্ষরযুক্ত এই চিঠি নতুন করে রাজনৈতিক তাৎপর্য অর্জন করেছে। এখন স্পিকারের দপ্তর কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। এমনিতে ঋতব্রতকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করেছেন মমতা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক। এদিকে অভিষেকের সই করা একটি চিঠি গতকালই বিধানসভায় রেখে গিয়েছিলেন কুণাল ঘোষরা। সেই চিঠিতে শোভনদেবকেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিয়োগ করতে বলা হয়েছিল। তবে সেই চিঠি স্পিকার গ্রহণ করেছেন কি না, তা স্পষ্ট হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *