WB 5th Pay Commission DA Arrear। বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘ জটিলতার মাঝে কর্মীদের পরিবারের কথা ভেবে নির্দেশিকা জারি সরকারের

Spread the love

WB 5th Pay Commission DA Arrear: বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার মাঝে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার মৃত অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বৈধ উত্তরাধিকারী বা নিকট আত্মীয়দের হাতে বকেয়া ডিএ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্যের অর্থ দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর মৃত্যু হওয়ায় তাঁদের প্রাপ্য অর্থ কারা পাবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। সেই সমস্যার সমাধান করেই রাজ্য সরকার জানিয়েছে, মৃত অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বৈধ উত্তরাধিকারীরা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়ে ওই বকেয়া অর্থের দাবি করতে পারবেন।

অর্থ দপ্তরের নির্দেশে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মৃত কর্মী যে ট্রেজারি থেকে পেনশন পেতেন, সেই ট্রেজারি অফিসে উত্তরাধিকারীদের যোগাযোগ করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পর বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। একই নিয়ম পারিবারিক পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে স্পষ্ট করা হয়েছে। শুধু রাজ্যের মধ্যেই নয়, যাঁরা পরবর্তীকালে অন্য রাজ্য বা বিদেশে পেনশন কেস স্থানান্তর করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই ধরনের ক্ষেত্রে বৈধ উত্তরাধিকারী বা নিকট আত্মীয়দের সংশ্লিষ্ট ট্রেজারির হেল্পলাইনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। যেসব অবসরপ্রাপ্ত কর্মী বা পারিবারিক পেনশনভোগীর পেনশন গত নভেম্বর মাসে লাইফ সার্টিফিকেট জমা না দেওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তাঁদেরও নতুন সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা অনলাইন অথবা অফলাইনে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিয়ে পেনশন চালুর আবেদন করতে পারবেন। এ সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য একটি বিশেষ হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপে বহু মৃত অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর পরিবার এবং পেনশনভোগীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বকেয়া ডিএ পাওয়ার পথ এবার আরও স্পষ্ট হল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *