Saheb-Susmita। হাত ধরে পার্টিতে ঢুকলেন সাহেব-সুস্মিত!পোশাকেও রং মিলান্তি

Spread the love

‘কথা’ তারকাদের প্রেম নিয়ে জল্পনার কোনো শেষ নেই। খবর রয়েছে, দুজনের বাগদান আর পাকা দেখাও নাকি হয়ে গিয়েছে। সামনেই বিয়ে। এদিকে, সাহেব ভট্টাচার্য আর সুস্মিতা দে তো মুখ ফুটে ভালোবাসার কথা মানতেই নারাজ। তবে বুধবার রাতে দুজনে বেশ চমক রাখলেন। টলিউডের এক পার্টিতে দুজনকে ঢুকতে দেখা গেল একেবারে হাতে হাত দিয়ে। যা দেখে নেটপাড়ার মনে প্রশ্ন, তাহলে কি প্রেমে অবশেষে সিলমোহর পড়ল?

লাল রঙের শর্ট ড্রেসে দেখা গেল সুস্মিতাকে। সাহেব কালো ব্লেজার আর সাদা শার্টের সঙ্গে গলায় নিয়েছিলেন লাল রঙের স্কার্ফ। তবে ম্যাচিং পোশাকে দেবাদেবী এর আগেও দেখা দিলেও, এভাবে হাত ধরে হেঁটে আসাটা তাঁদের ভক্তদের কাছে একটু হলেও ইউনিক! আসলে বিগত কয়েকদিন ধরেই সাহেব-সুস্মিতার ভক্তরা লক্ষ্য করছিলেন সুস্মিতার সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁকে ‘তুমি’ সম্বোধন করছেন সাহেব। আগে কিন্তু ‘তুই’ করেই বলতেন। যা নিয়ে আরও বেশি করে দুইয়ে দুইয়ে চার করা চলছে। প্রকাশ্যে বহুবার সাহেব ও সুস্মিতাকে প্রেম নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও, কোনও সঠিক উত্তর মেলেনি।

সাহেব ও সুস্মিতার এই ভিডিয়োতে এক ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ‘তোমরা দুজন সত্যি প্রেম করছ না? তাহলে সব পার্টিতে এভাবে হাত ধরে কেন আস?’ আরেকজন লেখেন, ‘তোমাদের এভাবে দেখে কী যে ভালো লাগে’!

তবে খবর রয়েছে ‘কথা’ শেষ হওয়ার পরপরই দুজনের ‘পাকাদেখা’ হয়ে গিয়েছে। আংটিবদল পর্বও সেরে ফেলেছেন তাঁরা। তবে সুস্মিতা অবশ্য সে জল্পনা নাকচ করে দিয়েছেন। নিজস্ব ঢঙে হেসেই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘সবাই কি পাগল হয়ে গিয়েছে, সবটাই ভুল খবর।’

একসময় মডেল সোনিকা চৌহানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সাহেবের। তবে ২০১৭ সালে এক গাড়ি দূর্ঘটনায় মৃত্যু হয় সোনিকার। গাড়ি চালাচ্ছিলেন টলিউডেরই আরেক নায়ক বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। বিক্রম সেই সময় মদ্যপ ছিলেন। এরপর লম্বা সময় পেরিয়ে গেলেও, সেভাবে সাহেবের সঙ্গে কারও নাম জড়ায়নি। সোনিকার পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখেছেন তিনি। এখন দেখার সাহেবের ভাঙা মনে কি সত্যিই প্রলেপ দিয়েছেন সুস্মিতা?

অবশ্য, সুস্মিতারও বছরখানেক আগে হয়ে গিয়েছিল বাগদান। অনির্বাণ রায়ের সঙ্গে একসঙ্গে থাকবেন বলে একসঙ্গে তাঁরা ফ্ল্যাটও কেনেন। তবে আচমকাই সেই সম্পর্ক ভাঙে, কথা চলাকালীন। তখন থেকেই সাহেবের সঙ্গে প্রেম-চর্চা হয় আরও জোরদার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *