Suvendu PA Chandranath Rath Murder Update। চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় সাফল্য পুলিশের! উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার ৩ শার্প শুটার

Spread the love

Chandranath Rath Murder Update: চন্দ্রনাথ রথ খুনের মামলা বড় সাফল্য পেল বঙ্গ পুলিশ। উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হল তিনজন শার্প শুটারকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০ মে এই আততায়ীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গেও নিয়ে আসা হয়েছে। ভবানী ভবনে সিআইডির তদন্তকারীরা জেরা করছে তাদের। আজ বারাসত আদালতে পেশ করা হতে পারে এই শার্প শুটারদের।

উল্লেখ্য, এই শার্প শুটাররা বালি টোল প্লাজায় ইউপিআই-এর মাধ্যমে টাকা দিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরেই তদন্তে এগোন সিআইডি অফিসাররা। এদিকে এই ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িতে যে নম্বর রয়েছে, সেটি ভুয়ো। তবে আসল নম্বরের গাড়িটি উত্তরবঙ্গের এক ব্যক্তির। তিনি গাড়িটি বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন ওএলএক্সে। উত্তরপ্রদেশ থেকে সেই গাড়ি কেনার জন্য ফোন এসেছিল সেই মালিকের কাছে। সেই সূত্র ধরে উত্তরপ্রদেশে পাড়ি দেন তদন্তকারীরা। আর সেখান থেকে এই শার্প শুটারদের ধরে বঙ্গের সিআইডি। এই শার্প শুটারদের কে বা কারা ভাড়া করেছিল? কেনই বা টার্গেট করা হয়েছিল চন্দ্রনাথকে, এই সব তথ্য জানতে রাতভর জেরা করা হয়েছে ধৃতদের।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। রাত ১০ টা থেকে ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে মধ্যমগ্রামে তাঁর গাড়ি থামিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন চন্দ্রনাথ এবং গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে মধ্যমগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তাঁর বুকে ২টি গুলি লেগেছিল। সেগুলি হৃদপিণ্ড ফুটো করে দেয়। আর অপর গুলিটি তাঁর পেটের কাছে লাগে।চন্দ্রনাথ খুনে মোট ৭ থেকে ৮ জনের দল যুক্ত ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এই খুনে ব্যবহৃত গাড়ির সংখ্যা ২। পুলিশ বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দেখতে পায়, চন্দ্রনাথের গাড়ির পিছনে একটি লাল রঙের গাড়ির সন্দেহজনক গতিবিধি ছিল। পুলিশ মনে করছে, সেই গাড়িতে করে খুনে যুক্ত কয়েকজন পালিয়ে যায়। পুলিশ মনে করছে স্থানীয় দুষ্কৃতীদের থেকে সাহায্য নিয়েই পেশাদাররা এই খুনটি করে। এদিকে বাজেয়াপ্ত নিসান মাইক্রা গাড়িতে কোনও আঙুলের ছাপ পাওয়া যায়নি। সেই গাড়িটির নম্বরটি ভুয়ো বলে জানা যায়। তবে এই গাড়ির আগের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। এই গাড়ির চ্যাসিস নম্বর সব জায়গা থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। এমনকী গাড়ির রেডিয়েটরের পাশে যে স্টিকার থাকে, তাও ঘষে দেওয়া হয়।

এর আগে বারাসতের ১১ নম্বর রেল গেটের সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল চন্দ্রনাথ খুনে ব্যবহৃত দ্বিতীয় বাইকটি। এর আগে গত ৭ মে এয়ারপোর্ট আড়াই নং গেটের কাছে আবর্জনা ফেলার জায়গায় মেলে খুনে ব্যবহৃত প্রছম বাইকটি। বাইকে নম্বর প্লেটটি ভুয়ো বলে জানা যায়। এই বাইকের ইঞ্জিন নম্বর থেকে শুরু করে চ্যাসিস নম্বর মুখে ফেলা হয়। তা সত্ত্বেও পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে, প্রথম বাইকটি দমদমের এক বাসিন্দার ছিল। প্রায় আড়াই মাস আগে সেই বাইকটি চুরি গিয়েছিল বলে জানান সেই মালিক। সেই চুরির বাইক ব্যবহার করেই চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *