বঙ্গোপসাগরে ভারতের মিসাইল টেস্টে শুকিয়েছে মুখ! পালটা সীমান্তে হামলার হুঁশিয়ারি বাংলাদেশি বিপ্লবীর

Spread the love

ভারতের মিসাইল পরীক্ষায় বাংলাদেশের প্রতি ‘আগ্রাসন’ খুঁজে পেল ইনকিলাব মঞ্চের নেতা। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর থেকেই বাংলাদেশে শুরু হয়েছে গেল গেল রব। সেই দেশের সংবাদমাধ্যমে মিথ্যাচার চলছে এপারের সংখ্যালঘুদের নিয়ে। এই আবহে ভারত বিরোধিতার সুর চড়াতে ফের পথে নেমেছে নিহত ওসমান হাদির দল ‘ইনকিলাব মঞ্চ’। ভারতের বিরুদ্ধে সাত দফার দাবিতে তারা ১০ মে একটি সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের এক নেতা দাবি করে, মিসাইল পরীক্ষা করে এবং সীমান্ত হত্যা করে বাংলাদেশকে ভয় দেখাচ্ছে ভারত।

সেই নেতা বলেন, ‘আমাদের সীমান্তবর্তী এলাকায় তারা মিসাইল টেস্ট করেছে। সীমান্তে তারা মিসাইল পরীক্ষা করলে কোনও সমস্যা নেই। তবে সীমান্ত হত্যা করে, মিসাইল পরীক্ষা করে ভারত আমাদের সিকিমেকর কথা মনে করাতে চায়। আমাদের হায়দরাবাদের কথা মনে করাতে চায়, গোয়ার কথা মনে করাতে চায়। তবে এই সব করে যদি তারা মনে করে আমাদের ভয় পাইয়ে দেবে, তাহলে ওদের দুটো কথা বলতে চাই- রৌমারীর (২০০১ সাল বিএসএফ-বিডিআর সংঘর্ষ) কথাটা মনে করিয়ে দিতে চাই।’

উল্লেখ্য, গত ৮ মে বঙ্গোপসাগরে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় ভারত। সেই মিসাইলটি দেখা গেল বাংলাদেশের কক্সবাজার সহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মিসাইলের পরীক্ষা চালাতে ৬ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল ভারত। এই আবহে ৮ মে সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আকাশে একটি ‘রহস্যজনক আলো’ দেখা যায়। এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। অনেকেই দাবি করেন, এটি মিসাইল। এই আবহে সেই মিসাইলটি অগ্নি ৬ কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়।জানা যায়, যে মিসাইলটি টেস্ট করা হয়েছিল, তাতে ‘এমআইআরভি’ (MIRV – মাল্টিপল ইন্ডিপেন্ডেন্টলি টার্গেটেবল রিএন্ট্রি ভেহিকেল) প্রযুক্তি আছে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, একটি মিসাইলের অগ্রভাগে থাকা একাধিক ওয়ারহেড বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের সময় আলাদা হয়ে যাবে এবং ভিন্ন-ভিন্ন শত্রুঘাঁটিকে ধ্বংস করবে। এই মিসাইল পরীক্ষায় তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছে ওপার বাংলার ‘বিপ্লবী’ নেতারা। এই আবহে ২০০১ সালের কথা স্মরণ করিয়ে ভারত সীমান্তে হামলার হুমকি দিচ্ছে তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *