Swaroop Biswas arrest: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতেই ‘বাঘ’ পরিণত হন ‘বেড়ালে’। এবার সেই স্বরূপ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। সূত্রের খবর, তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ আজ ‘বাহুবলী’ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইকে গ্রেফতার করেছে। যাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল আমলে গুচ্ছ-গুচ্ছ অভিযোগ উঠত। টলিউড় পাড়ায় ‘ব্যান’ সংস্কৃতি থেকে নিউ আলিপুর এলাকায় তোলাবাজি- স্বরূপের নামে অভিযোগের অভাব ছিল না। কিন্তু তারপরও তাঁর দাপট কমত না। বহাল তবিয়তেই সবকিছু চালিয়ে যেতেন বলে অভিযোগ উঠত।
স্বরূপকে ধরল পুলিশ, ওদিকে পুলিশের সমন অরূপকে
শুভেন্দু-জমানা শুরু হতেই অবশ্য স্বরূপের সব দাপট হারিয়ে যায়। টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকেও উধাও হয়ে যান। এবার সেই একদা দাপুটে নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আর সেই দাপুটে নেতা স্বরূপের দাদা অরূপও বেশ চাপে আছেন। কারণ যুবভারতীতে লিওনেল মেসি-কাণ্ডে তাঁকে তলব করেছে পুলিশ। আজই হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে আজ হাজিরা এড়িয়েছেন অরূপ।
শুভেন্দু-জমানা শুরু হতেই অবশ্য স্বরূপের সব দাপট হারিয়ে যায়। টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকেও উধাও হয়ে যান। এবার সেই একদা দাপুটে নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আর সেই দাপুটে নেতা স্বরূপের দাদা অরূপও বেশ চাপে আছেন। কারণ যুবভারতীতে লিওনেল মেসি-কাণ্ডে তাঁকে তলব করেছে পুলিশ। আজই হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে আজ হাজিরা এড়িয়েছেন অরূপ।
স্বরূপের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ১ মহিলা
ভাই অবশ্য সেই সুযোগ পাননি। সূত্রের খবর, টালিগঞ্জের মেকআপ আর্টিস্ট ফেডারেশনের সদস্য এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে ফেডারেশন অফ সিনে টেকনিশিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার (যে সংগঠনের অস্তিত্ব মুছে বিজেপি ক্ষমতা আসতেই) সভাপতি স্বরূপকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন যে প্রায় দু’বছর ধরে কোনও কাজ দেওয়া হয়নি তাঁকে। যখন কাজ চাইতে চান, তখন টাকা চাওয়া হয়। এমনকী তাঁর এক সহকর্মীর থেকে হাজার-হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন মহিলা। তাছাড়াও অসংখ্যবার টালিগঞ্জ থেকে লাখ-লাখ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে স্বরূপের বিরুদ্ধে।

কী কী ধারায় মামলা হয়েছে স্বরূপের বিরুদ্ধে?
১) ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৭৫(১)(২): যৌন হয়রানি
২) ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৩০৮(৪): তোলাবাজি
৩) ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৩০৮(৫): গুরুতর তোলাবাজি
৪) ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ১০৯: হত্যার চেষ্টা
৫) ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৩৫১(৩): অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
৬) ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৬১: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
৭) অস্ত্র আইনের ধারা ২৫ ও ২৭: অস্ত্র-সম্পর্কিত অপরাধ (অবৈধভাবে অস্ত্র রাখা/ব্যবহার)