Syamaprasad Mookerjee Birth Anniversary। শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিনে ১২৫ ফুটের মূর্তি তৈরির কাজ শুরু

Spread the love

Syamaprasad Mookerjee Birth Anniversary: সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী। আর সেজন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একগুচ্ছ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। নিউ টাউনের ইকোপার্কে ১২৫ ফুটের শ্যামাপ্রসাদের যে ১২৫ ফুট মূর্তি তৈরি করা হবে, তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্যের পূর্ত দফতর এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ওই মূর্তির স্থান নির্বাচন হয়েছে। ইকোপার্ককে বেছে নেওয়া হয়েছে, কারণ এত বড় মূর্তির জন্য শহরে আর কোনও উপযুক্ত জায়গা পাওয়া যায়নি।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ কর্মসূচি

তারইমধ্যে বিভিন্ন স্কুল-কলেজেও শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। রাজ্য সরকারের তরফে ইতিমধ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ছুটি থাকলেও প্রাক্তন উপাচার্যকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োদন করেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাছাড়াও ১৯৩৪ সাল থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত উপাচার্য থাকার সময় সমাবর্তনে যে ভাষণ দিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ, তার ডিজিটালাইজেশন করা হবে।

প্রেসিডেন্সিতে প্রদর্শনী থেকে প্রবন্ধ লেখার প্রতিযোগিতা

আবার শ্যামাপ্রসাদ যে প্রেসিডেন্সি কলেজে (বর্তমানে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) পড়তেন, সেখানেও পড়ুয়া ও শিক্ষকদের একগুচ্ছ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সকালে তাঁকে সম্মান জানানো হবে। তাঁর জীবন নিয়ে পোস্টার প্রর্দশনী হবে। লাইব্রেরিতে প্রদর্শিত হবে তাঁর লেখা বই। তাঁর জীবন নিয়ে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে, সোমবার সকালে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে যোগমায়া দেবী, আশুতোষ এবং শ্যামাপ্রসাদ কলেজের তরফে।

ভবানীপুরের স্কুলে বিশেষ অনুষ্ঠান

সেইসঙ্গে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে। ১৯১৭ সালে সেই স্কুল থেকেই ম্যাট্রিক পাশ করেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ। পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফলাফলের জন্য ১০ টাকা স্কলারশিপও পেয়েছিলেন। যা আজও সংরক্ষিত রয়েছে। তাছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের স্কুলে পালন করা হবে শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকী।

তারইমধ্যে শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটি নিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে বিদ্যালয়গুলিতে ছুটি। অথচ পালনীয় বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে! বিগত সরকারের সময় থেকে এই বিভ্রান্তি চলে আসছে। এই বিভ্রান্তি দূর হোক। ছুটি না দিয়ে শিক্ষা দফতর পালনীয় বলে নির্দেশ দিক না। মেনে নেবেন শিক্ষক মহল। ছুটির ক্যালেন্ডারে কয়েকটি দিন এভাবেই পর্ষদের তালিকায় থাকে। সেগুলি ছুটি না দিয়ে স্পষ্টভাবে কার্যকরী দিবস হিসেবে পালনীয় বলে উল্লেখ করা হোক। এতে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী সবাই সাবলীলভাবে উপস্থিত থাকবেন। বিভ্রান্তি দূর হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *