TMC MLA Claim। ‘আমি বাইরে থেকে শুনেছি ৫৯ জন তৃণমূল বিধায়ক সই করেছেন, আমি নিজেও সই করেছি’

Spread the love

TMC MLA Claim: আজ সকাল থেকেই বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের ঢল। একে একে প্রায় ৫০ জনেরও বেশি বিধায়ক বিধানসভায় পৌঁছেছেন। আজ সেখানে তাঁদের বৈঠক হওয়ার কথা। বিধানসভায় ঢোকার আগেই অবশ্য তৃণমূলের ভাঙনের বিষয়ে ইঙ্গিত স্পষ্ট করে দিয়ে যান তৃণমূলের বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি নির্দিষ্ট সংখ্যাটা জানি না। তবে আমি বাইরে থেকে শুনেছি ৫৯ জন তৃণমূল বিধায়ক সই করেছেন, আমি নিজেও সই করেছি।’ আজ সকাল থেকে সাবিনা ইয়াসমিন থেকে চন্দ্রনাথ সিনহা, রথীন ঘোষ থেকে শুরু করে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়দের বিধানসভায় ঢুকতে দেখা যায়। তাঁরা ঢোকার সময় জানান, আজ তাঁরা বিরোধী দলনেতা বাছাই করবেন। এমনকী বিধানসভায় ঢোকার আগে সন্দীপন সাহা সাংবিকদের কাছে দাবি করেন, দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক তাঁদের সঙ্গেই আছেন।

এদিকে রিপোর্টে দাবি করা হয়, বিধায়কদের স্বাক্ষরযুক্ত একটি চিঠি নিয়ে বিধানসভায় হাজির হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিষয়কে সামনে রেখেই এই চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে ৫৯ জন বিধায়কের সমর্থনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেই চিঠি নিয়ে স্পিকারের দপ্তরে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়। তৃণমূলের দাবি, বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই প্রেক্ষিতেই ৫৯ জন বিধায়কের স্বাক্ষরযুক্ত নথি জমা দেওয়া হয়েছে। শাসকদলের বক্তব্য, বিধানসভার প্রচলিত রীতি ও নিয়ম মেনেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের পর বিরোধী শিবিরের শক্তি ও নেতৃত্ব নিয়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। সেই আবহে ৫৯ বিধায়কের স্বাক্ষরযুক্ত এই চিঠি নতুন করে রাজনৈতিক তাৎপর্য অর্জন করেছে। এখন স্পিকারের দপ্তর কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। এমনিতে ঋতব্রতকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করেছেন মমতা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়ে বিধানসভায় পৌঁছেছেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *