দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। এননই দাবি করলেন বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ। এর আগে সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশচিক বরাইকের পদত্যাগে চাপে থাকা তৃণমূলের জন্য এই ঘটনা আরও বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। কোয়েলের ইস্তফার ফলে রাজ্যসভায় তৃণমূলের শক্তি আরও কমে গেল। সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আরও কয়েকজন সাংসদ পদত্যাগ করতে পারেন। ফলে উচ্চকক্ষেও দলের সাংগঠনিক সংকট ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। একাধিক নেতা, বিধায়ক এবং সাংসদ প্রকাশ্যে নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন। লোকসভায় বিদ্রোহী সাংসদদের পৃথক অবস্থান নেওয়ার পর এবার রাজ্যসভাতেও সেই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক। তখন তিনি বলেছিলেন, মানুষের সেবা এবং দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ হিসেবে তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করছেন। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁর এই পদত্যাগ নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান ও সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি এই পদত্যাগের ধারা অব্যাহত থাকে, তবে আগামী দিনে রাজ্যসভায় তৃণমূলের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।
এদিকে রাজ্যসভায় বাংলার ১৬টি আসন। সেখানে বিজেপির দখলে আছে মাত্র ৩টি আসন। আর এই গত কয়েকদিনে তৃণমূলের চার সাংসদ পদত্যাগ করলেন। এর জেরে রাজ্যসভায় তৃণমূলের আর মাত্র ৯ জন সদস্য রয়ে গিয়েছেন। এদিকে তৃণমূলের সাংসদদের ছেড়ে দেওয়া রাজ্যসভা আসনগুলিতে এখন উপনির্বাচন হলে সেখানে বিজেপির জয় নিশ্চিত।
https://enewsbangla.com/wp-content/uploads/2026/06/cbv-300×168.webp