শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে খুনের ঘটনার নিন্দা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রাতেই রাজ্যের বিদায়ী শাসক দলের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গত তি দিন ধরে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা সংঘটিত নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আরও তিনজন তৃণমূল কর্মীর হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমরা। আমরা এই বিষয়ে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। আদালতের নজরদারিতে সিবিআই তদন্ত করতে হবে, যাতে দোষীদের অবিলম্বে শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা যায়। গণতন্ত্রে হিংসা এবং রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের কোনও স্থান নেই। দোষীদের বিরুদ্ধে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নিতে হবে।’
তৃণমূলই খুন করেছে, অভিযোগ শমীকের
যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, এটাই প্রত্যাশিত ছিল। কত নীচে নামতে পারে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, তৃণমূল সংস্কৃতি, এটাই তার প্রমাণ। আট মাস ধরে একটাই কথা বলে আসছিলেন যে তৃণমূল সরকার চলে যাওয়ার পরে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্যপাল ও নির্বাচন কমিশনকে।
সেইসঙ্গে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দাবি করেছেন, এখন তৃণমূল তৃণমূলকে মারছে। আজ কোনও কিছু করতে না পেরে শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ককে মেরে ফেলা হল। এটার মাধ্যমে একটা বার্তা দিতে চাইছে বলে অভিযোগ করেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি।

ঘটনায় মমতা-অভিষেকের সরাসরি যোগ, দাবি কৌস্তুভের
আবার সেই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের দিকে আঙুল তুলেছেন ব্যারাকপুরের নব-নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক কৌস্তুভ বাগচী। ওই সংবাদমাধ্যমে তিনি দাবি করেন, এতদিন বিজেপি ভদ্রতা ও শৃঙ্খলার রাজনীতি করে এসেছে। যেভাবে চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হল, তাতে কাউকে ছাড়া হবে না। এই ঘটনার পিছনে সরাসরি মমতা ও অভিষেকের হাত আছে। যতক্ষণ দোষীদের গ্রেফতার করা হবে না, ততক্ষণ মৃতদেহ দাহ করা হবে না বলে দাবি করেন কৌস্তুভ।