TMC Split Latest Update। প্রায় ৬০ জনের স্বাক্ষরিত চিঠি হাতে বিধানসভায় ঋতব্রত

Spread the love

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহেই প্রায় ৬০ জন বিধায়কের স্বাক্ষরযুক্ত একটি চিঠি নিয়ে বিধানসভায় হাজির হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনই দাবি করা হয়েছে সংবাদ প্রতিদিনের রিপোর্টে। বিষয়টি ঘিরে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এদিকে আজ সকাল থেকেই বিধানসভায় যাচ্ছেন একের পর এক তৃণমূল বিধায়ক। সাবিনা ইয়াসমিন থেকে চন্দ্রনাথ সিনহা, রথীন ঘোষ থেকে শুরু করে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়রা জানান, আজ তাঁরা বিরোধী দলনেতা বাছাই করবেন।

রিপোর্টে দাবি করা হয়, বিধানসভায় বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব এবং সাংবিধানিক স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিষয়কে সামনে রেখেই এই চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে ৫৯ জন বিধায়কের সমর্থনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেই চিঠি নিয়ে স্পিকারের দপ্তরে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধানসভা চত্বরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়। তৃণমূলের দাবি, বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিধায়কের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই প্রেক্ষিতেই ৫৯ জন বিধায়কের স্বাক্ষরযুক্ত নথি জমা দেওয়া হয়েছে। শাসকদলের বক্তব্য, বিধানসভার প্রচলিত রীতি ও নিয়ম মেনেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, বিষয়টি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়েই এখন নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বিধানসভার স্পিকারের হাতেই রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত। এদিন বিধানসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ৫৯ জন বিধায়কের সমর্থন সংবলিত চিঠি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এখন বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বিধানসভার নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসারে।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের পর বিরোধী শিবিরের শক্তি ও নেতৃত্ব নিয়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। সেই আবহে ৫৯ বিধায়কের স্বাক্ষরযুক্ত এই চিঠি নতুন করে রাজনৈতিক তাৎপর্য অর্জন করেছে। এখন স্পিকারের দপ্তর কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়ে বিধানসভায় পৌঁছেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *