নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের ডিজি-সহ রাজ্যের একের পর এক আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন, সেটাই বহাল রাখল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। খারিজ করে দেওয়া হল জনস্বার্থ মামলা। তার ফলে আদালতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ধাক্কা খেতে হল।
মামলাকারীর তরফে কী সওয়াল করা হয়েছিল?
মামলাকারীদের তরফে সওয়াল করা হয় যে সংবিধানের ৩২৪ ধারার আওতায় কমিশনের হাতে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই ক্ষমতা অসীম নয়। কমিশনকে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, সেটার জন্য যা খুশি করতে পারে না। কমিশন যেভাবে আমলা ও পুলিশকর্তাদের সরিয়ে দিয়েছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো নষ্ট হচ্ছে বলেও সওয়াল করা হয়।কমিশনের তরফে পালটা কী যুক্তি দেওয়া হয়?
হাইকোর্টে কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে, একাধিক কারণে পশ্চিমবঙ্গের একগুচ্ছ আমলা ও পুলিশ আধিকারিকদের বদলি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছে আমলা ও পুলিশকে। কিন্তু সব রাজ্যে পরিস্থিতি সমান নয়। যেখানে যেমন অবস্থা, সেরকমভাবে পদক্ষেপ করা হয় বলে কমিশনের তরফে সওয়াল করা হয়।

প্রথম দফার ভোট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
১) গেজেট নোটিফিকেশন জারি: ৩০ মার্চ (সোমবার)।
২) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ৬ এপ্রিল (সোমবার)।
৩) মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার)।
৪) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ: ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)।
৫) ভোটগ্রহণের তারিখ: ২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)।
দ্বিতীয় দফার ভোট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
১) গেজেট নোটিফিকেশন জারি: ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)।
২) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)।
৩) মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১০ এপ্রিল (শুক্রবার)।
৪) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ: ১৩ এপ্রিল (সোমবার)।
৫) ভোটগ্রহণের তারিখ: ২৯ এপ্রিল (বুধবার)।
৬) ভোটগণনা: ৪ মে (সোমবার)।
৭) ৬ মে’র আগে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।