US Ambassador in Bangladesh। বাংলাদেশের NSA-র মুখোমুখি মার্কিন রাষ্ট্রদূত

Spread the love

বাংলাদেশের নির্বাচনের আগে সেই দেশে বেড়েছে মার্কিন তৎপরতা। কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। সেই ব্রেন্ট এবার বৈঠক করলেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সঙ্গে। এর আগে মার্কিন মেজর জেনারেল ই ড্যারিন কক্স বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। ১৮তম থিয়েটার মেডিক্যাল কমান্ডের কমান্ডিং জেনারেল তিনি। সেই মেজর জেনারেল ড্যারিন দেখা করেন বাংলাদেশের সেনা কর্তার সঙ্গে। এদিকে জ্যারিন সিলেটেও যান বলে জানা গিয়েছে।

এই সবের মাঝেই এবার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকে বলেন খলিলুর। ইতিমধ্যেই ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত হওয়ার পরই ঘুম ছুটেছে চিনের। এই সবের মাঝে ক্রিস্টেনসনের সঙ্গে খলিলুরের বৈঠক ঘিরে জল্পনা বেড়েছে। জানা গিয়েছে, শুল্ক, রোহিঙ্গা, ভিসা বন্ড, অবৈধ বাংলাদশিদের প্রত্যাবর্তনের মত ইস্যু নিয়ে কথা হয় দুই জনের।

এদিকে খলিলুরের সঙ্গে বৈঠকের পরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। সেই বৈঠকে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বচন নিয়ে দুজনের কথা হয় বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া ইউনুসের সঙ্গেও ব্রেন্টের রোহিঙ্গা এবং শুল্ক ইস্যুতে কথা হয়। এদিকে আসিয়ানে বাংলাদেশের যোগদানের চেষ্টা এবং সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা হয় ইউনুসের। কক্সবাজারের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ক্যাম্পে বসবাসরত ১০ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমকে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান ইউনুস। এদিকে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে বাংলাদেশকে তুলে ধরেন ইউনুস।এদিকে ইউনুস জোর গলায় বলেন, ‘ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড নির্ধারণ করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট। এটি হবে একটি উৎসবমুখর নির্বাচন।’ এদিকে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেই জয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গে কাজ করতে তিনি আগ্রহী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *