Usha Uthup। ঊষার ‘দিদি গো’ গানের সঙ্গে জড়াল রাজনীতি

Spread the love

Usha Uthup: গত ৪ মে বঙ্গ রাজনীতিতে এসেছে বিরাট বড় পরিবর্তন। ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই দেখা দিয়েছে বিপুল ভোট নিয়ে তৃণমূলকে হারিয়ে জিতেছে বিজেপি। খুব সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এই সবকিছুর মধ্যেই হঠাৎ করে জড়িয়ে গেল প্রবীণ সংগীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের নাম।

সম্প্রতি একটি লাইভ শোয়ে জনপ্রিয় সুরকার খালেদের আরবি গান ‘দিদি’ গানটির নিজস্ব সংস্করণ পরিবেশন করেন ঊষা উত্থুপ। গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই অনেকে দাবী করেন, এই গানটি গাওয়ার মাধ্যমে ঊষা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছেন। এমনকি এও দাবি করা হয়, এতদিন নাকি কলকাতায় থাকতেন না সংগীতশিল্পী। তৃণমূল আমলে অনুষ্ঠান করার জন্য কাটমানি চাওয়া হতো তাই খানিক বিরক্ত হয়ে তিনি মুম্বই চলে গিয়েছিলেন। এখন সরকার বদল হতে আবার তিনি ফিরে এসেছেন কলকাতায়।

ঊষা উত্থুপ নিয়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে ঠিক তখনই সঙ্গীতশিল্পী নিজেই একটি পোষ্টের মাধ্যমে বিতর্কের অবসান ঘটালেন। তিনি একটি বিবৃতি জারি করে জানান, ‘X হ্যান্ডেল, ইনস্ট্রাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপে আমাকে নিয়ে একটি পোস্ট ঘুরছে যেখানে কিছু এমন বক্তব্য বা আমাকে নিয়ে এমন কিছু দাবি করা হচ্ছে যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর।’

সঙ্গীত শিল্পী আরও লেখেন, ‘যে গানটি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে সেটি বহু বছর আগে একটি আরবি সুর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আমার গাওয়া একটি বাংলা গান। প্রায় ২ দশকের বেশি সময় ধরে এই গানটি আমি পরিবেশনা করছি। দ্বিতীয়তঃ আমি কখনই কলকাতা ছেড়ে যায়নি। ১৯৭৬ সাল থেকে আমি কলকাতাতেই বসবাস করছি। কাজও করছি।’সবশেষে তিনি লেখেন, ‘যে ধরনের ব্যাখ্যা অথবা মন্তব্য আমার গানকে ঘিরে তৈরি করা হচ্ছে তা আমার কথা নয়। এই ধরনের বিতর্কে আমাকে জড়াবেন না। এই সবকিছুর সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই।’ ঊষা উত্থুপের এই বিবৃতির পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাঁর মেয়ে অঞ্জলি লিখেছেন, ‘খুব ভালো বলেছ মা। এইভাবে গান গেয়ে যাও আর সবাইকে খুশি রাখো। ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুক।’

ঊষা উত্থুপের এই বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিতে ভক্তরাও মন্তব্য করে সংগীত শিল্পীকে সমর্থন করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘আমরা আপনাকে সবাই ভালবাসি। কলকাতার প্রতি আপনার অনুভূতিকে আমরা সম্মান জানাই।’ অন্য একজন লিখেছে, ‘যতই গুজব ছড়াক না কেন, আপনি আগের মতোই সকলকে ভালোবাসা দিয়ে যান।’ একজন লিখেছেন, ‘এই গানটি ২০০৪ বা ২০০৫ সাল থেকেই শুনে আসছি। অযথা গুজব রটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *