শেষ চারটি ম্যাচে দুটি শতরান এবং দুটি অর্ধশতরান করেছেন। যে দুটি অর্ধশতরান করেছেন, সেই দুটিতেই অপরাজিত থেকেছেন। ফলে চারটি ম্যাচে চারটি শতরানেরও সুযোগ ছিল। সেটা না হলেও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ম্যাচ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে যেরকম খেললেন, তা থেকে ভারতীয় ক্রিকেট ফ্যানরা বলতে শুরু করেছেন, সেই ২০১৬ সালের বিরাট কোহলি যেন ফিরে এলেন। আর বিরাটকে দেখে সত্যিই মনে হচ্ছে যেন নিজের পুরনো ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিনটি ম্যাচে ৩০২ রান করেছেন। প্রথম ম্যাচে ১৩৫ রান করেন। দ্বিতীয় ম্যাচে করেন ১০২ রান। আর তৃতীয় ম্যাচে অপরাজিত ৬৫ রান করেছেন। সবথেকে বড় ব্যাপার, সাধারণত তিনি ইনিংসের গোড়ার দিকে ছক্কা মারেন না। কিন্তু এই সিরিজে দাপটের সঙ্গে ছক্কা হাঁকাচ্ছেন। সবমিলিয়ে বিরাট একেবারে পুরনো ছন্দে ফিরে গিয়েছেন। আর বিরাট ছন্দে থাকলে যেটা হওয়ার কথা, ঠিক সেটাই হল দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে। সিরিজ সেরার পুরস্কার জিতলেন বিরাট। ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর-সহ টিম ম্যানেজমেন্টকে যেন বার্তা দিলেন, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের জন্য তিনি তৈরি।
২-৩ বছরে আমি এরকম খেলিনি, বললেন বিরাট
আর সেই পুরস্কার নেওয়ার সময় বিরাট বললেন, ‘সত্যি কথা বলতে এই সিরিজে আমি যেরকমভাবে খেলেছি, সেটা আমার কাছে সবথেকে সন্তোষজনক বিষয়। আমি একেবারে খোলা মনে খেলছিলাম। গত দু’তিন বছরে আমি এরকমভাবে খেলিনি। আমি জানি, যদি আমি এরকমভাবে ব্যাট করতে পারি, তাহলে দলকে অনেকটা সাহায্য করবে। আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে।’

এতদিন খেললে নিজের উপরে সন্দেহ তৈরি হয়, বললেন বিরাট
বিরাট আরও বলেন, ‘(আত্মবিশ্বাসী করে তোলে যে) মাঠে যাই পরিস্থিতি হোক না কেন, সেটা আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। আর সেখান থেকে দলের দিকে খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারব। আপনি যখন ১৫-১৬ বছর ধরে খেলেন, তখন নিজের ক্ষমতার প্রতি সন্দেহ জন্মেই থাকে। বিশেষত ব্যাটারদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আরও। কারণ একটা ভুল হলেই আউট হয়ে যেতে হবে।’