Voter List Revision। সংশোধনের পরে মুসলিম জেলাগুলিতে বেড়েছে ভোটার সংখ্যা

Spread the love

অসমের বেশিরভাগ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলায় খসড়া তালিকার তুলনায় বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার পরে চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে উপজাতি জেলাগুলিতে খসড়ার তুলনায় চূড়ান্ত তালিকায় ব্যাপক সংখ্যায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে। উল্লেখ্য, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার পরে গত ১০ ফেব্রুয়ারি অসমের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। খসড়া তালিকায় থাকা ২.৪৩ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল সেই তালিকা থেকে।

অসমের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইটে শেয়ার করা জেলা-ভিত্তিক তথ্য অনুসারে, রাজ্যের ৩৫টি জেলার মধ্যে ২৪টি জেলায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে, এবং ১১টি জেলায় ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল রিজিয়নের (বিটিআর) অধীনে থাকা তিনটি পার্বত্য জেলা এবং পাঁচটি উপজাতি জেলায় ভোটারের সংখ্যা কমেছে। পাশাপাশি কামরূপ এবং কামরূপ (মেট্রোপলিটন) জেলাগুলিতেও ভোটার সংখ্যা কমেছে।

এদিকে অসমের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের একদিন পর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) অনুরাগ গোয়েল জানিয়েছেন, একটি ‘ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা’ প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। খসড়া তালিকা থেকে ২.৪৩ লক্ষেরও বেশি নাম মুছে ফেলা হয়েছে চূড়ান্ত তালিকায়। অপরদিকে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ১১ ফেব্রুয়ারি দাবি করেন যে রাজ্য থেকে লক্ষ লক্ষ ‘সন্দেহজনক ভোটারদের’ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এটা শুধুমাত্র সূচনা। বিশেষ নিবিড় সংশোধনের সময় এ ধরনের আরও ব্যক্তির নাম মুছে ফেলা হবে। হুমকি ও ভয় দেখানো সত্ত্বেও বিজেপি কর্মীরা ‘সন্দেহজনক ভোটারদের’ বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।’ মুখ্যমন্ত্রীর নিজের নির্বাচনী এলাকার চূড়ান্ত তালিকা থেকে ৪৩০০-এরও বেশি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান হিমন্ত। হিমন্ত বিশ্বশর্মার জালুকবাড়ি আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় ২.১১ লক্ষ। কামরূপ মেট্রোপলিটান জেলার অধীনে থাকা জালুকবাড়িতে এর আগে খসড়া তালিকায় নাম ছিল ২,১০,৬২৪ জন ভোটারের নাম। সেই কেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকায় ২,০৬,৪১৪ জনের নাম ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *